বারাকপুরে রেলল্যান্ডের নতুন বন্দর প্রকল্পে রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং ও অশ্বিনের তীব্র আলোচনা

রাজ্য
সময় লাগবে পড়তে: < 1 মিনিট

বারাকপুরের রেললাইন সংলগ্ন জমি তাড়াতাড়ি নতুন বন্দর হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টি রাজ্য মন্ত্রী অর্জুন সিং আজ সকালে অশ্বিনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেছেন। মন্ত্রী অর্জুন সিং ছয়জন স্থানীয় বিধায়কের সান্নিধ্যে এই উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা ও সময়সূচি স্পষ্ট করে জানান, যাতে এলাকার বেকারত্ব কমে এবং অর্থনৈতিক প্রবাহ দ্রুত হয়।

অশ্বিন, যিনি রেলমার্কেটিং সংস্থার প্রধান, রেলল্যান্ডের হস্তান্তর প্রক্রিয়া দ্রুততর করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় মাটির মূল্যায়ন, পরিবেশগত অনুমোদন ও নিকাশি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করার ইঙ্গিত দেন। উভয় পক্ষের সম্মতিতে একটি ত্বরিত টাস্কফোর্স গঠন করা হবে, যাতে রেললাইন থেকে বিচ্ছিন্ন জমি সুষ্ঠু ভাবে বন্দর নির্মাণে ব্যবহার করা যায়।

আরও পড়ুন:  লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের প্রস্তাবিত উপভোক্তাদের তালিকা প্রস্তুত করে পাঠানোর নির্দেশ মুখ্যসচিবের

স্থানীয় বিধায়কগণ সভা শেষে প্রকাশ্যে আশার কথা প্রকাশ করে, “বারাকপুরের যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ এ প্রকল্পই দেবে।” তারা আরও জোর দিয়ে বলেন, সমগ্র উত্তরবঙ্গের জন্য এই বন্দর একটি লজিস্টিক হাব হয়ে উঠতে পারে, যা পণ্য রপ্তানি-আমদানি উভয়ই সহজ করবে।

প্রকল্পের আর্থিক দিক নিয়ে আলোচনায় উল্লেখ করা হয় যে, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ তহবিলের মাধ্যমে প্রাথমিক বিনিয়োগের দায়িত্ব ভাগ করা হবে, এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে। মন্ত্রী অর্জুন সিং শেষ মন্তব্যে বলেন, “এই উদ্যোগের সফলতা বারাকপুরকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে, এবং আমরা সকল স্টেকহোল্ডারকে সহযোগিতার আহ্বান জানাই।”

শেষে, উভয় পক্ষ একে অপরের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে, প্রকল্পের সূচনা তারিখ নির্ধারণের জন্য আগামী সপ্তাহে একটি আরেকটি বৈঠক নির্ধারিত হয়েছে। এই সমন্বয়পূর্ণ প্রচেষ্টা যদি সুষ্ঠু ভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে বারাকপুরের অর্থনৈতিক মানচিত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *