আবগারি কেলেঙ্কারিতে খুচরো বিক্রেতাদের টেনে আনা অন্যায়, দায়মুক্তির দাবি বিজন পাত্রের

রাজ্য
সময় লাগবে পড়তে: < 1 মিনিট

রাজ্যে আবগারি কেলেঙ্কারি নিয়ে যখন রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়েই এবার সামনে এল খুচরো মদের বিক্রেতাদের উদ্বেগ। রাজ্যজুড়ে চলা এই তদন্তের প্রভাব যেন এবার পৌঁছে গিয়েছে সাধারণ লাইসেন্স হোল্ডারদের দরজায়। এই পরিস্থিতিতেই খুচরো বিক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষায় সরব হয়েছেন রাজ্য লিকার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন পাত্র। তাঁর দাবি, বড় মাপের কেলেঙ্কারির দায় চাপিয়ে সাধারণ খুচরো বিক্রেতাদের হেনস্থা করা একেবারেই উচিত নয়।

বিজন পাত্রের মতে, রাজ্যজুড়ে যে ধরণের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তার সঙ্গে সাধারণ খুচরো বিক্রেতাদের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁরা কেবল লাইসেন্স মেনে ব্যবসা করেন এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পণ্য বিক্রি করেন। কিন্তু তদন্তের নামে এখন অনেক খুচরো বিক্রেতাকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, যারা প্রকৃত অর্থে এই কেলেঙ্কারির মূল কারিগর, তাদের বদলে প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

আরও পড়ুন:  ক্লিন এনার্জিতে সহযোগিতার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারত রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনার জন্য গবেষণা সম্প্রদায়কে একত্রিত করেছে

লিকার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদকের দাবি, সরকারি স্তরে যে কারসাজি বা সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছিল, তার প্রভাব পড়েছিল খুচরো স্তরে, কিন্তু তার দায়ভার বিক্রেতাদের ওপর চাপানো যুক্তিযুক্ত নয়। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যদি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ থাকে, তবে তাকে শাস্তি দেওয়া উচিত, কিন্তু পুরো খুচরো ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে সন্দেহের তালিকায় রাখা ব্যবসার পরিবেশ নষ্ট করছে। এই পরিস্থিতির ফলে বহু ছোট ব্যবসায়ী এখন চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

এই আবহে বিজন পাত্র প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন যেন খুচরো বিক্রেতাদের দ্রুত এই অভিযোগের বেড়াজাল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, স্বচ্ছ তদন্ত হোক এবং দোষীদের শাস্তি হোক, তবে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অযথা হয়রানি বন্ধ করা জরুরি। ব্যবসায়ীদের এই দাবি এখন লিকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন লাভ করছে।

আরও পড়ুন:  ওয়ার্ল্ড অঙ্কুরাষ্ট্রা শতকান ক্যারাটে ফেডারেশনের উদ্যোগে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয় ওমেন্স সেলফ ডিফেন্স ক্যাম্প

সামগ্রিকভাবে, আবগারি কেলেঙ্কারি এখন কেবল রাজনৈতিক লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তা সাধারণ ব্যবসায়িক স্তরেও প্রভাব ফেলছে। এখন দেখার যে, লিকার অ্যাসোসিয়েশনের এই দাবি মেনে নিয়ে প্রশাসন খুচরো বিক্রেতাদের দায়মুক্তির বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয় কি না, নাকি তদন্তের নামে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অস্বস্তি আরও বাড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *