
সুন্দরবন থেকে সীমান্ত ঘুরে ফুটবলের নতুন প্রজন্ম তৈরীর উদ্যোগ
মিনিটবর্তমানে করোনা অতিমারিতে লকডাউনের জেরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। গ্যাজেটের মাধ্যমে পড়াশোনার পাশাপাশি চলে ফুটবল ও ক্রিকেটের মতো নানা ধরণের মনোরঞ্জক গেমের ব্যবস্থা। ভিন্ন চিত্র ধরা পড়ল উওর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট হাইস্কুল মাঠে। ভারতীয় ফুটবলে ফুটবলার তৈরীর সাপ্লাই লাইন হিসেবে পরিচিত বসিরহাট থেকে প্রচুর ফুটবলার একসময় উঠে আসত। ইদানিং সেই সংখ্যাটা অনেক কমেছে। সেই […]
বর্তমানে করোনা অতিমারিতে লকডাউনের জেরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। গ্যাজেটের মাধ্যমে পড়াশোনার পাশাপাশি চলে ফুটবল ও ক্রিকেটের মতো নানা ধরণের মনোরঞ্জক গেমের ব্যবস্থা। ভিন্ন চিত্র ধরা পড়ল উওর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট হাইস্কুল মাঠে। ভারতীয় ফুটবলে ফুটবলার তৈরীর সাপ্লাই লাইন হিসেবে পরিচিত বসিরহাট থেকে প্রচুর ফুটবলার একসময় উঠে আসত। ইদানিং সেই সংখ্যাটা অনেক কমেছে। সেই সমস্যা সমাধানে সেখানে সকাল থেকে কয়েকদল কচিকাচা মেতে থাকে ফুটবলে।
তাদের দুচোখ ভরা স্বপ্ন। হয়তো বড়ো হয়ে কলকাতার তিন প্রধান মোহনবাগান-ইষ্টবেঙ্গল-মহামেডান সহ ভারতের নামী ক্লাবে জাতীয় দলে ঠাঁই পেয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করা। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে, সেই স্বপ্ন সার্থক করার উদ্দেশ্যে বসিরহাট ভেটারেন্স প্লেয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বিনামূল্যে একটি ফুটবল কোচিং ক্যাম্প শুরু করেছে। সেই ক্যাম্পে এসে অনুশীলন করান ভারতের প্রাক্তন স্বনামধন্য ফুটবল তারকা ও বসিরহাটের ভূমিপুত্র মিহির বসু, রবিন ঘোষ।
ফুটবলার যোগেশ মন্ডল বলেন, “বসিরহাটে ফুটবলের সঠিক পরিকাঠামো তৈরির দরকার। বিএসএসএকে আরও দায়িত্ব নিয়ে বিভিন্ন কোচিং ক্যাম্পগুলিকে সবরকম সাহায্য প্রদান করতে হবে। বহু ফুটবল প্রতিযোগীতা করতে হবে প্রতিভাবান ফুটবলার তুলে আনার জন্য।”
প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচ অনুষ্টুপ সরকার বলেন, “খেলার সুবাদে অন্যান্য রাজ্যে গিয়ে দেখা যায়, সেখানকার স্থানীয় ফুটবলাররা ভারতের বিভিন্ন জাতীয় স্তরের ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। কিন্তু বাংলায় তিন প্রধান ক্লাবে বাঙালি থেকে অবাঙালি ফুটবলারের সংখ্যা বেশি। তাই পিতা মাতা সহ কোচিং ক্যাম্পগুলিকে এগিয়ে আসতে হবে নতুন প্রতিভা তুলে আনার।”




