
৬ বছর দেরি — এয়ার ইন্ডিয়াকে ৭৪,১৩১ টাকার ক্ষতিপূরণ দিতে হইবে, গ্রাহক‑সুরক্ষা কমিশন নির্দেশ
মিনিটগ্রাহক‑সুরক্ষা কমিশন ৬ বছরের দেরি পর এয়ার ইন্ডিয়াকে ৭৪,১৩১ টাকার ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিল। রায়ে পরিষ্কার করা হয়েছে যে, সেবা দেরি ও অস্বস্তি গ্রাহকের অধিকার লঙ্ঘন, তাই আইনি দায়বদ্ধতা প্রযোজ্য।
আকাশে উড়ে যাওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে যাত্রীকে দেরিতে চেক‑ইন করা, সিট বদল করা ও রিফান্ড না দেওয়ার অভিযোগে গ্রাহক‑সুরক্ষা কমিশন (কমিশন ফর কনজিউমার প্রোটেকশন) ৬ বছরের দীর্ঘ বিচার‑প্রক্রিয়ার পর আজ রায় দিল। রায় অনুসারে এয়ার ইন্ডিয়াকে ভুক্তভোগী গ্রাহকের কাছে মোট ৭৪,১৩১ টাকার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যা দেরি, অস্বস্তি ও মানসিক কষ্টের পরিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত।
বিচারক গৌরব সিংহের মন্তব্যে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এয়ারলাইন সংস্থাকে গ্রাহকের স্বাভাবিক সেবা প্রদান না করলে তা আইনি দায়বদ্ধতার আওতায় পড়বে। তিনি উল্লেখ করেন, “বিমান সংস্থার দায়িত্ব হল সময়মতো সেবা প্রদান করা; না করলে গ্রাহকের অধিকার ক্ষুন্ন হয় এবং তা আইন অনুযায়ী পূরণ করা বাধ্যতামূলক।”
এয়ার ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিরা রায়ে অশান্তি প্রকাশ করলেও তারা আইন মেনে চলার প্রতিশ্রুতি জানিয়েছেন। সংস্থাটি ইতিমধ্যে সংশোধিত সেবা মানদণ্ড প্রয়োগে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে এধরনের সমস্যার পুনরাবৃত্তি রোধে অভ্যন্তরীণ নীতি পর্যালোচনা করবে।
এই রায়টি গ্রাহক অধিকার সংরক্ষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেন। তারা বলেন, দীর্ঘায়িত বিচার প্রক্রিয়া সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে, যা অন্য এয়ারলাইন সংস্থার জন্যও সতর্কতামূলক উদাহরণ হয়ে থাকবে।
উপসংহারে বলা যায়, এয়ার ইন্ডিয়ার ক্ষতিপূরণ রায় গ্রাহক সুরক্ষার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে এবং আদালতের দৃঢ়তা প্রকাশ করে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানই গ্রাহকের মৌলিক সেবা অধিকার লঙ্ঘন করলে তা আইনগতভাবে জবাবদিহি করবে।



