
৩৫ লক্ষের মাদক পাচার গ্রেফতার—ক্রাইম ব্রাঞ্চের আরশাদ আলিকে দাওয়াই
গুরুগ্রামে ৩৫ লক্ষ টাকার মাদক গুদাম উন্মোচন করে সেক্টর ৩৯‑এর ক্রাইম ব্রাঞ্চ দল আরশাদ আলি ও তার সহচরদের গ্রেফতার করেছে। অভিযানটি গোপন সূত্রের ওপর ভিত্তি করে সফল হয়েছে।
গুরুগ্রামে মাদক চোরাচালানের এক বিশাল চক্রের সন্ধান পেয়ে সেক্টর ৩৯‑এর ক্রাইম ব্রাঞ্চ দল একটি সাহসী অভিযান চালায়। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে গৃহবন্দি, সড়ক ও গুদাম ঘাঁটি পর্যবেক্ষণ করে দলটি ৩৫ লক্ষ টাকার মূল্যের MDMA মাদক গুদাম উন্মোচন করে। গুদামটি চেক‑পয়েন্টে গোপনভাবে লুকিয়ে ছিল, যেখানে বহু ব্যাগে মাদক প্যাকেট জোড়া হয়ে ছিল।
অভিযান শেষে দলটি একদল সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে, যার মধ্যে রয়েছে ‘আরশাদ আলি’ নামে পরিচিত এক শীর্ষ অপরাধী, যাকে গুদাম পরিচালনা ও মাদক সরবরাহের জন্য দায়ী ধরা হয়েছে। আরশাদ আলি গৃহবন্দি হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে জিম্মা স্বীকার করে, যে তিনি গাঙ্গের অন্য গোষ্ঠীর সঙ্গে সমন্বয় করে এই মাদক চক্র চালাচ্ছিলেন।
পুলিশের জানামতে, ধরা পড়া মাদকগুলোকে বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত করা হয়েছে যে সেগুলো সম্পূর্ণভাবে MDMA (একটি সিন্থেটিক ড্রাগ) এবং তা শহরের গ্যাংসের মধ্যে চর্চা করা হচ্ছিল। গ্রেফতারের পর আরশাদ আলি এবং তার সহচরদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এই সফল অভিযান পুলিশকে মাদক পাচার বিরোধী লড়াইয়ে এক বড় অগ্রগতি হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে। নিরাপদ সমাজ গঠনের জন্য ক্রাইম ব্রাঞ্চের এই ধরনের চৌকস পদক্ষেপকে প্রশংসা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এধরনের গোপন সূত্রের ওপর ভিত্তি করে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




