
এসবিআই আশা স্কলারশিপ ২০২৬‑এর জন্য আবেদন শুরু, আর্থিক সংকটে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য নতুন স্বর্গদূত
এসবিআই ফাউন্ডেশন ২০২৬‑এর আশা স্কলারশিপের আবেদন এখনই শুরু করেছে। গড় ৭.৫‑এর উপরে এবং আর্থিক সংকটে থাকা মেধাবী শিক্ষার্থীরা ৩১ আগস্টের আগে অনলাইনে আবেদন করতে পারবে।
এসবিআই ফাউন্ডেশন আজ (২৪ জুলাই) “এসবিআই প্লাটিনাম জয়ন্তী আশা স্কলারশিপ প্রোগ্রাম ২০২৬” এর আবেদন গ্রহণের ঘোষণা দিয়ে শিক্ষাব্যবস্থার রঙে এক নতুন রঙ যোগ করেছে। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে পড়াশোনা থেমে যাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীর জন্য এই স্কলারশিপটি এক আশার আলো হিসেবে কাজ করবে। স্কলারশিপের মূল উদ্দেশ্য হল গুণগত শিক্ষার সুযোগ সমানভাবে পৌঁছে দিয়ে গৃহবহির্ভূত গরিবি দূর করা।
আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে পরিচালিত হবে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা SBI ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে “Apply Now” বাটনে ক্লিক করে ফর্ম পূরণ করতে পারবে। ফর্মে শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আর্থিক অবস্থা এবং পারিবারিক আয় সংক্রান্ত ডকুমেন্ট আপলোড করা আবশ্যক। ডকুমেন্টের মধ্যে সর্বশেষ পাসবুক, আয়কর রিটার্ন অথবা পেংস্লিপ, এবং পিতামাতার আয় প্রমাণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আবেদন শেষের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬ নির্ধারিত, তাই সময়মতো আবেদন না করলে এই সুযোগ হারিয়ে যাবে।
এই স্কলারশিপের জন্য যোগ্যতা নির্ধারিত হয়েছে: (১) গড় ৭.৫ বা তার বেশি (বিএসসি/এমএসসি) অথবা ৮.০ (ইন্টার) ও ১০মের গড় ৮.৫; (২) আর্থিকভাবে গরিব পরিবার; (৩) ভারতের নাগরিকত্ব; (৪) সর্বোচ্চ ২৪ বছরের নিচে। একবার নির্বাচিত হলে প্রতি শিক্ষাবর্ষে প্রতি শিক্ষার্থীকে ₹১,৫০,০০০ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যা টিউশন ফি, বই, বাসস্থান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য ব্যবহার করা যাবে।
স্কলারশিপের পর্যালোচনা কমিটি নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশ করবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদেরকে ইমেইল ও এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে এবং পরবর্তী ধাপের জন্য ডকুমেন্ট যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলবে। স্কলারশিপের শর্তাবলীর মধ্যে ধারাবাহিকভাবে শর্ত মেনে চলা, প্রতি সেমিস্টারে নির্ধারিত পারফরম্যান্স বজায় রাখা এবং ফাউন্ডেশনের নীতি অনুযায়ী সেমিনার ও সেবামূলক কাজেও অংশগ্রহণ করা অন্তর্ভুক্ত।
অধিক তথ্য ও প্রশ্নের জন্য SBI ফাউন্ডেশনের হেল্পডেস্কে ফোন (০৩৩‑২২২২‑৯৯৯৯) অথবা ই-মেইল (scholarship@sbi.org) এ যোগাযোগ করা যেতে পারে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আর্থিক সমস্যায় ভুগছে এমন মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের স্বপ্ন পূরণে এক বড় সোপান তৈরি হবে বলে আশা করা যায়।




