কেন্দ্রের পরিকল্পনা: NEET‑কে অনলাইন‑ভিত্তিক CBT‑তে রূপান্তর, বাস্তবতা কী বলছে?
education14 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

কেন্দ্রের পরিকল্পনা: NEET‑কে অনলাইন‑ভিত্তিক CBT‑তে রূপান্তর, বাস্তবতা কী বলছে?

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

NEET‑কে সম্পূর্ণ অনলাইন‑ভিত্তিক CBT‑তে রূপান্তর করার সরকারী পরিকল্পনা ঘোষণা হয়েছে, তবে গ্রাম্য এলাকায় ডিজিটাল অবকাঠামোর ঘাটতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে। সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন অপরিহার্য।

নয়াদিল্লির শীর্ষমন্ত্রীর কথায় NEET‑এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা পরেই সরকার পুরো পরীক্ষা কম্পিউটার‑ভিত্তিক টেস্ট (CBT) মোডে নেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সারা দেশের ৩৫০‑এরও বেশি পরীক্ষাকেন্দ্রকে ডিজিটাল সিস্টেমে রূপান্তর করতে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বাজেট করে গৃহীত এই উদ্যোগের লক্ষ্য পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং কাগজ‑পাতা সংরক্ষণ করা। তবে এই পদক্ষেপের বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নানা অসুবিধার প্রতিবেদন আসছে।

প্রথমেই উদ্বেগের মূল বিষয় হল ডিজিটাল ডিভাইসের সুলভতা। শহরাঞ্চলে অধিকাংশ কলেজে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের সুবিধা থাকলেও গ্রাম্য এলাকায় অনেক পরীক্ষাকেন্দ্র এখনও পুরোনো পেন‑সিল সিস্টেমে নির্ভরশীল। এমন পরিবেশে CBT চালু হলে সঠিকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকা শিক্ষার্থীরা সময়মতো প্রশ্ন পৌঁছাতে অক্ষম হতে পারে। তাছাড়া, সফটওয়্যার ত্রুটি বা সিস্টেম ক্র্যাশের ঝুঁকি এখনও দূর করা যায়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করছে যে, পরীক্ষার আগে সকল কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার আপডেট করা হবে এবং ব্যাকআপ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। তবু, শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ দূর করতে অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ সেশনের পাশাপাশি সঠিক তথ্য সরবরাহ জরুরি। বিশেষ করে, স্নাতক পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীরা এখনো সঠিকভাবে বুঝতে পারছে না কীভাবে CBT‑তে সাইন‑ইন করতে হবে এবং উত্তর রিভিউ করতে হবে।

অবশেষে, যদি সরকার ডিজিটাল অবকাঠামোকে সমানভাবে বিতরণ করতে পারতে না, তবে এই রূপান্তরটি পরীক্ষার ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতায় বিপর্যয় ঘটাতে পারে। তাই, নীতি নির্ধারকদের উচিত ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা, যাতে সব অঞ্চলের শিক্ষার্থী সমান সুযোগ পায় এবং পরীক্ষার ফলাফলে কোনো অনিচ্ছাকৃত বৈষম্য না থাকে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX