মেয়েদের শিক্ষার অধিকার ফিরিয়ে দিতেই হবে! তালিবানদের কড়া বার্তা UNESCO‑র
education5 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

মেয়েদের শিক্ষার অধিকার ফিরিয়ে দিতেই হবে! তালিবানদের কড়া বার্তা UNESCO‑র

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ইউনেস্কো আফগানিস্তানের তালিবান শাসনের পাঁচ বছর পরও মেয়ের শিক্ষার সম্পূর্ণ বন্ধের ওপর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থা তালিবানকে ত্বরিতভাবে শিক্ষার অধিকার ফিরিয়ে দিতে আহ্বান জানিয়েছে।

কাবুলে আজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি ফেরেছে আফগানিস্তানের মেয়ের শিক্ষার ওপর। ইউনেস্কো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে যে, তালিবান শাসনের পাঁচ বছর পরও মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠানো সম্পূর্ণ থেমে গেছে। সংস্থাটি রেকর্ডে দেখেছে যে, কেবলমাত্র প্রাথমিক স্তরের কিছুই অবশিষ্ট, আর উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ বন্ধ।

ইউনেস্কো মতে, এই নীতি শুধু শিক্ষার মৌলিক অধিকারই লঙ্ঘন করে না, বরং দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকেও ক্ষতি করে। মেয়ের শিক্ষা না হলে পরিবারে দারিদ্র্য হারের বৃদ্ধি, নারীর কর্মসংস্থান হ্রাস এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনা কমে যায়। বিশেষত, গ্রামাঞ্চলে যেখানে নারী শিক্ষার হার ইতিমধ্যে কম, সেখানে এই নিষেধাজ্ঞা আরও বড় ধাক্কা।

সংস্থা তালিবানকে ত্বরিতভাবে শিক্ষার নীতি পুনর্বিবেচনা করে, মেয়েদের বিদ্যালয়ে পুনরায় ভর্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও চাপ সৃষ্টি করে, যাতে আফগান সরকারের প্রতি মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্ব আরোপ করা যায়।

ইউনেস্কো রেকর্ডে দাবি করেছে, যদি তালিবান শাসন পাঁচ বছরের মধ্যে মেয়ের শিক্ষার সম্পূর্ণ অধিকার ফিরিয়ে না দেয়, তবে তা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য হবে। এ সংকেতের মাধ্যমে সংস্থা বিশ্বকে সতর্ক করছে যে, শিক্ষার অধিকার কোনো রাজনৈতিক মতবিরোধে অগ্রাহ্য করা যাবে না।

উপসংহারে বলা যায়, মেয়ের শিক্ষার অধিকার পুনরুদ্ধার না হলে আফগানিস্তান কেবলমাত্র মানবিক সংকটে নয়, ভবিষ্যৎ সমাজের গঠনেও বড় ধাক্কা পাবে। তাই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও নীতি পরিবর্তনের জরুরি প্রয়োজন, যাতে তালিবান শাসনে মেয়ের শিক্ষার আলো ফিরে আসে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX