
২৫ বছর পর বিরল কীর্তি, স্বপ্নের টেস্টে মানব মস্তিষ্কের গোপন রেকর্ড গড়লেন বিজ্ঞানীরা
মিনিটকলকাতার ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সে ২৫ বছর পর প্রথমবারের মতো “স্বপ্নের টেস্ট” সফল হয়েছে। উন্নত ইমেজিং ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা স্বপ্নের দৃশ্য রিয়েল‑টাইমে রেকর্ড করতে পেরেছেন, যা মানসিক রোগের নির্ণয় ও থেরাপিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।
কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সে গত সপ্তাহে এক ঐতিহাসিক “স্বপ্নের টেস্ট” সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়, যা ২৫ বছর ধরে অনুন্নত থাকা গবেষণার প্রথম সফল উদাহরণ। টেস্টটি মানব মস্তিষ্কের স্বপ্ন দেখার প্রক্রিয়াকে রিয়েল‑টাইমে রেকর্ড করে, ফলে স্বপ্নের দৃশ্য ও আবেগের ধরণ সরাসরি বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়েছে।
এই কীর্তি অর্জন করতে গবেষক দলকে বহুবার ব্যর্থতা, তীব্র নৈতিক আলোচনা ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত উন্নত ফাংশনাল ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (fMRI) ও মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদমের সমন্বয়ে স্বপ্নের নিউরাল প্যাটার্নকে সনাক্ত করা যায়।
পরীক্ষাটি পরিচালনার সময় এক স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণকারী তার ঘুমের সময় চলমান স্বপ্নের দৃশ্যকে স্ক্রিনে পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছেন, সঙ্গে সঙ্গে তার মস্তিষ্কের তরঙ্গের পরিবর্তন রেকর্ড হয়েছে। বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, এই পদ্ধতি মানসিক রোগের প্রাথমিক সনাক্তকরণ ও সাইকিয়াট্রিক থেরাপিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বপ্নের টেস্টের এই সাফল্য শুধু বৈজ্ঞানিক জগতে নয়, চিকিৎসা, মানসিক স্বাস্থ্য ও নৈতিক নীতিতে বিস্তৃত প্রভাব ফেলবে। তবে ডেটার গোপনীয়তা ও ব্যবহারিক সীমা নির্ধারণে সতর্কতা অবলম্বন করা অপরিহার্য।
অবশেষে, ২৫ বছর পর এই বিরল কীর্তি মানব মস্তিষ্কের রহস্য উন্মোচনে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ভিত্তি স্থাপন করবে।



