
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপিকার হত্যায় গ্রেপ্তার পশ্চিমবঙ্গের দম্পতি, খুনের কারণ কী?
মিনিটদিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা রীতা সেনের হিংসাত্মক মৃত্যুর পর পশ্চিমবঙ্গের দম্পতি অমিত ও সুমিতা দাশগুপ্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে দেখা যাচ্ছে, খুনের পেছনে শিক্ষাক্ষেত্রের স্বার্থজনিত বিরোধের সম্ভাবনা রয়েছে।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত অধ্যাপিকা ডা. রীতা সেনের হঠাৎ মরণে শহরে শোকের ছায়া নেমে আসে, আর আজ পুলিশের ঘোষণা অনুযায়ী অপরাধীর মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দম্পতি অমিত ও সুমিতা দাশগুপ্তকে হিংসাত্মক হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে; তাদের হাতে গৃহযুদ্ধের চিহ্ন দেখা গেছে।
দ্যুতি ৩১ মার্চ রাত ১০টার দিকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের এক সাইড গলিতে ডা. রীতার গাড়ি থেমে যাওয়ার পর দম্পতি তার গাড়িতে গিয়ে তাকে গুলি করে মেরে ফেলেন বলে সন্দেহ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অপরাধীরা গাড়ির সিটে লুকিয়ে গিয়ে রীতা সেনকে সিলুয়েট না দেখিয়ে গুলি করে, পরে দ্রুত পালিয়ে যায়।
প্রারম্ভিক তদন্তে দেখা গেছে, দম্পতির সঙ্গে রীতা সেনের কোনো ব্যক্তিগত বিরোধের রেকর্ড নেই। তবে ফৌজদারি তদন্ত ইউনিট (ফিটিইউ) জানায়, হিংসার পেছনে সম্ভবত শিক্ষাক্ষেত্রের ভিন্নমত বা চাকরি সংক্রান্ত অমীমাংসিত তর্কের সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু সূত্রে দাবি করা হয়, রীতা সেনের গবেষণা প্রকল্পে দম্পতি যুক্ত ছিলেন, যার ফলে আর্থিক ও স্বার্থজনিত সংঘাতের সূত্রপাত হতে পারে।
শিক্ষা সংস্থার প্রতিনিধিরা এই হত্যাকাণ্ডকে “শিক্ষা ক্ষেত্রের নিরাপত্তা ব্যর্থতা” বলে সমালোচনা করে, এবং দাবি করেন যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্টাফের সুরক্ষার ব্যবস্থা শক্তিশালী করা জরুরি। দিল্লি পুলিশও বলছে, মামলাটি দ্রুত আইনের মুখে আনতে তারা সব ধরণের প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং বিচারের আগে দম্পতি কঠোর জেল শর্তে রাখা হয়েছে।
সারসংক্ষেপে, রীতা সেনের হিংসাত্মক মৃত্যু একদিকে শিক্ষাবিদদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে, অন্যদিকে অপরাধের পেছনে জটিল সামাজিক ও আর্থিক কারণের ইঙ্গিত দেয়। সময়ের সাথে সাথে তদন্তের ফলাফল স্পষ্ট হলে, শিক্ষাখাতে ন্যায়বিচার ও সুরক্ষার নতুন নীতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা আরও তীব্র হবে।



