পাকিস্তান কাশ্মীরের বিক্ষোভে ভারতের দোষারোপের দাবি ন্যস্ত—কড়া জবাব দিলো দিল্লি
international6 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

পাকিস্তান কাশ্মীরের বিক্ষোভে ভারতের দোষারোপের দাবি ন্যস্ত—কড়া জবাব দিলো দিল্লি

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

পাকিস্তান কাশ্মীরের বিক্ষোভে ভারতের দোষারোপের দাবি ন্যস্তের বদলে দিল্লি কড়া জবাব দিলো। কূটনৈতিক সমাধানেই দু’দেশের শেষ লক্ষ্য বলে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রকের বক্তব্য।

পাকিস্তান সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ শুক্রবার কাশ্মীর‑পাকিস্তান (PoK) অঞ্চলে চলমান বিক্ষোভের জন্য ভারতের দায়িত্ব দাবি করে তীব্র রোষ প্রকাশ করেন। তিনি বললেন, ভারতের কূটনৈতিক নীতি ও সীমান্তে চলমান সামরিক কার্যক্রমই এই প্রতিবাদে প্রজ্বলন ঘটিয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তি না নিলে তৎপরতা রয়ে যাবে। তবে দিল্লির প্রেস রিলিজে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণভাবে খারিজ করা হয় এবং ভারতীয় সরকার জানায়, কাশ্মীরের বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে থাকা একটি বেসামরিক বিরোধ, যা কোনো এক দেশ একা নির্ণয় করতে পারে না।

মন্ত্রীর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পাকিস্তান কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন ও মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে, আর ভারতের হস্তক্ষেপের কোনো প্রমাণ নেই। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র জানান, পাকিস্তান দায়িত্ব ন্যস্তের বদলে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে নেওয়া উচিত। তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় দেশের মধ্যে সংলাপই একমাত্র কার্যকর উপায়।

বিশ্লেষকরা বলে, এই তর্কে উভয় দেশের রাষ্ট্রীয় স্বার্থের টানাপোড়েন স্পষ্ট। পাকিস্তান যদি কাশ্মীরের সমস্যাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরতে চায়, তবে তা ভারতের নীতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সন্দেহ উসকে দিতে পারে। অন্যদিকে, ভারতীয় সরকার পার্লামেন্টে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে, কূটনৈতিক সমঝোতা ও শান্তিপূর্ণ সমাধানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

শেষে, বিদেশী নীতিবিদরা ইঙ্গিত করেন, এই ধরনের অভিযোগে দু'পক্ষেরই সংবেদনশীলতা বজায় রাখা জরুরি, না হলে উত্তেজনা বাড়ে এবং সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয়। তাই, কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আন্তর্জাতিক আইনের মানদণ্ড মেনে চলা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তোলা অপরিহার্য।

উপসংহারে বলা যায়, পাকিস্তানের দায়ারোপের দাবি পরিত্যক্ত হয়েছে, আর ভারত কূটনৈতিক পথে সমস্যার সমাধানে দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সমাধানই শেষের লক্ষ্য হওয়া উচিত, যাতে জনগণ নিরাপদে এবং শৃঙ্খলায় জীবনযাপন করতে পারে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX