
বদলেছে যুদ্ধের ময়দান, বেড়েছে ড্রোনের ব্যবহার, তবুও ট্যাঙ্ক এখনও অপ্রতিদ্বন্দ্বী
যুদ্ধের ময়দানে ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে, তবু ট্যাঙ্ক এখনও অপ্রতিদ্বন্দ্বী রয়ে গেছে। রাশিয়া‑ইউক্রেন ও ইরান‑ইজরায়েল‑যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতে ট্যাঙ্কের গৌরব স্পষ্ট দেখা গিয়েছে।
বিশ্বের যুদ্ধক্ষেত্রের রূপ রূপান্তরিত হচ্ছে; ড্রোনের আকাশে উড্ডয়ন বাড়লেও ভূ‑মাটির গৌরবের চিহ্ন ট্যাঙ্কেরই রয়ে গেছে। রাশিয়া‑ইউক্রেন সংঘাতে ড্রোনের তীক্ষ্ণ নজর ও স্বয়ংক্রিয় গোলাবারুদ দেখা গিয়েছে, তবু ট্যাঙ্কের ঘন আর্মার ও শেলিং ক্ষমতা সামনের সারিতে থাকা সৈন্যদের রক্ষা করেছে। ড্রোনের নজরদারি, ইলেকট্রনিক যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়লেও ট্যাঙ্কের চলাচল‑ক্ষমতা ও গাটার ফায়ার‑সাপোর্ট অপরিবর্তিতভাবে চালু থাকে।
ইরান‑ইজরায়েল‑যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনায়ও একই প্রবণতা দেখা যায়। ড্রোনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের কাজ বাড়লেও ভূ‑মাটির গঠনশীল শক্তি হিসেবে ট্যাঙ্কের ভূমিকা কমে না। ড্রোনের আক্রমণকে ট্যাঙ্কের বর্মে অতিরিক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে, ফলে উভয় প্রযুক্তি পরিপূরকভাবে কাজ করতে পারে।
ভারতও এই পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে নিজস্ব প্রতিরক্ষার পথ পুনর্বিবেচনা করছে। নতুনকৃত ট্যাঙ্কের ডিজাইন ও আধুনিক সেন্সর যুক্ত করে, ড্রোন‑সাপোর্টেড অপারেশনকে একত্রে চালু করা হচ্ছে। ফলে ট্যাঙ্কের অপ্রতিদ্বন্দ্বী গৌরব বজায় রেখে, সাইবার‑যুদ্ধ ও ড্রোন‑বিপদে দেশকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।
অবশেষে, প্রযুক্তি যতই অগ্রসর হোক, যুদ্ধের ময়দানে ট্যাঙ্কের অগ্রগণ্য ভূমিকা অটুট রয়ে গেছে। ড্রোনের ব্যবহার বাড়লেও, ট্যাঙ্কের শক্তি ও বহুমুখিতা তাকে অপরিবর্তনীয় করে তুলেছে, যা ভবিষ্যতের যুদ্ধে সমন্বিত কৌশলের মূলে থাকবে।




