পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় কঠোর নিন্দা ব্রিকসের, সন্ত্রাসে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা
international14 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় কঠোর নিন্দা ব্রিকসের, সন্ত্রাসে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করল ব্রিকস। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’-এর কথা বলে সদস্য দেশগুলি আন্তর্জাতিক স্তরে কঠোর বার্তা দিল।

পহেলগাঁওয়ের রক্তক্ষয়ী জঙ্গি হামলা নিয়ে এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে কড়া অবস্থান নিল ব্রিকস। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে যে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা চালানো হয়েছিল, তার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সদস্য দেশগুলির তরফে একটি যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। নয়া দিল্লিতে প্রকাশিত এই বিবৃতিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, যে কোনও ধরণের সন্ত্রাসবাদ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই চালানো প্রয়োজন।

ঘোষণাপত্রে ব্রিকস সদস্য দেশগুলি এই হামলার কথা উল্লেখ করে জানিয়েছে, নিরীহ মানুষের ওপর চালানো এই নৃশংসতা বিশ্বশান্তির পথে এক বড় বাধা। সন্ত্রাসবাদ দমনে দেশগুলির মধ্যে আরও নিবিড় সহযোগিতা এবং গোয়েন্দা তথ্যের আদান-প্রদান বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ব্রিকসের এই কঠোর অবস্থান আন্তর্জাতিক স্তরে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পহেলগাঁওয়ের মতো ঘটনাগুলি সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় অস্থিরতা তৈরি করে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিকসের তরফে ‘জিরো টলারেন্স’-এর কথা বলা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সদস্য দেশগুলির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা সন্ত্রাসবাদকে মদত দেয় বা নিরাপদ আশ্রয় দেয়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এই যৌথ ঘোষণাপত্রটি কার্যত সন্ত্রাসবাদের শেকড় উপড়ে ফেলার এক আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারত বরাবরই আন্তর্জাতিক মঞ্চে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার। ব্রিকসের এই যৌথ বিবৃতিতে পহেলগাঁও হামলার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা যাওয়ায় ভারতের কূটনৈতিক জয় বলে মনে করা হচ্ছে। সদস্য দেশগুলির এই একমত হওয়া প্রমাণ করে যে, সন্ত্রাসবাদ এখন আর কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের সমস্যা নয়, বরং এটি একটি বৈশ্বিক সংকট যা মোকাবিলা করতে হলে বিশ্বের সমস্ত শক্তিকে একজোট হতে হবে।

পরিশেষে বলা যায়, পহেলগাঁওয়ের ঘটনায় ব্রিকসের এই কড়া নিন্দা এবং সন্ত্রাসবাদের প্রতি শূন্য সহনশীলতার বার্তা এক নতুন দিশা দেখাল। আশা করা যায়, এই যৌথ পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং দক্ষিণ এশিয়ার এই সংবেদনশীল অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX