
এই প্রথম আকাশপথে ‘তাঁবু’ মোতায়েন করবে ভারত, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ ঘুম উড়বে সবার
ভারত ২০ কিলোমিটার উচ্চতায় ‘তাঁবু’‑সদৃশ গ্যাসবাহন উড়িয়ে সীমান্তে নতুন নজরদারি চালু করতে যাচ্ছে, যা পাকিস্তান ও বাংলাদেশে নিরাপত্তা অশান্তি সৃষ্টি করেছে।
ভারত সরকার আগামী মাসে স্ট্রাটোসফেরিক এয়ারশিপ প্রকল্প (Stratospheric Airship Project) বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। প্রায় ২০ কিলোমিটার উচ্চতায় আকাশে ‘তাঁবু’‑সদৃশ একটি হাল্কা গ্যাসবাহন উড়িয়ে দেশকে তার সীমান্তে ঘূর্ণায়মান নজরদারির নতুন মুখে পরিণত করবে। এই ব্যবস্থা, যা নীতিমালা ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে একপ্রকার ‘আকাশীয় তাবু’ হিসেবে চিহ্নিত, শত্রু দেশের সামরিক গতি-প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহে সহায়তা করবে।
প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল উচ্চ-উচ্চতার স্তরে দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয়ে রাডার ও স্যাটেলাইটের তুলনায় কম জ্বালানি খরচে বিস্তৃত এলাকায় নজরদারি চালানো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের গ্যাসবাহনের মাধ্যমে রিয়েল‑টাইমে শত্রু বিমান ও মিছাইলের চলাচল ট্র্যাক করা সম্ভব হবে, ফলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এই ঘোষণার পর একধরনের অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। দু'দেশের বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত দিচ্ছেন, আকাশে ‘তাঁবু’ ঘুরে চললে সীমান্তের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বাড়বে এবং আঞ্চলিক শত্রুতা তীব্র হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, যেহেতু তার সীমান্তে আকাশীয় নজরদারির কোনো ব্যবস্থা নেই, তাই এই প্রকল্পকে ‘ঘুম উড়িয়ে দেওয়া’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকে প্রকল্পটি ভারতের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। গ্যাসবাহনের নির্মাণে ব্যবহার হবে হাল্কা কম্পোজিট উপাদান ও হাইড্রোজেন, যা দেশীয় শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে। তবে নিরাপত্তা ও পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে উচ্চ উচ্চতার গ্যাস লিক হলে তা বায়ুমণ্ডলে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
সারসংক্ষেপে, ‘তাঁবু’ আকাশে উড়ে দেশকে আধুনিক নজরদারির শীর্ষে তুলবে, তবে অঞ্চলের নিরাপত্তা গতি-প্রকৃতি ও পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর নতুন উত্তেজনা সঞ্চার করবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রকল্পের নীতি-নিয়ম ও আন্তর্জাতিক সমঝোতা কিভাবে গড়ে উঠবে, তা দেখাই হবে বাস্তবতা।




