২০৩৫ সালের মধ্যে ২০০টিরও বেশি জাহাজ গঠন করবে ভারতীয় নৌবহর, চীন‑পাকিস্তানের নৌ‑শক্তি কীভাবে দাঁড়িয়ে আছে?
national3 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

২০৩৫ সালের মধ্যে ২০০টিরও বেশি জাহাজ গঠন করবে ভারতীয় নৌবহর, চীন‑পাকিস্তানের নৌ‑শক্তি কীভাবে দাঁড়িয়ে আছে?

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ভারতীয় নৌবাহিনী ২০৩৫ সালের মধ্যে ২০০টিরও বেশি জাহাজের নৌবহর গঠন করতে চায়, আর চীন ইতিমধ্যে ৭৫০টিরও বেশি জাহাজ নিয়ে সামুদ্রিক শক্তিতে শীর্ষে রয়েছে। এই তীব্র প্রতিযোগিতা অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধিতে বড় প্রভাব ফেলবে।

ভারতীয় নৌবাহিনী ২০৩৫ সালের মধ্যে ২০০টিরও বেশি জাহাজের বিশাল নৌবহর গড়ে তোলার লক্ষ্যে দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই পরিকল্পনা সরকারী নীতি‑নথি এবং বাজেটের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে আধুনিক পণ্ড, ডেস্ট্রয়ার, সাবমেরিন এবং সহায়ক জাহাজের সমন্বয়ে এক শক্তিশালী মহাসাগরীয় ক্ষমতা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। সাম্প্রতিক দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দু'টি নতুন নৌবাহিনীর জাহাজ গৃহীত হয়েছে, যা এই লক্ষ্যের প্রথম স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

নৌবাহিনীর বর্তমান গঠন প্রায় ৭০টি সক্রিয় জাহাজের উপর নির্ভরশীল, তবে নতুন নির্মাণ ও ক্রয় প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি বছর গড়ে ১০-১৫টি জাহাজ যোগ হবে বলে অনুমান করা হয়েছে। ফ্রিগেট, কিলার‑ড্রোন, এবং স্বয়ংক্রিয় পৃষ্ঠভূমি রাডারসহ উচ্চপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ জাহাজের অন্তর্ভুক্তি পরিকল্পনায় রয়েছে, যা সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং মানবিক সহায়তা মিশনে সক্ষমতা বাড়াবে।

চীন ও পাকিস্তানের নৌ-শক্তি তুলনা করলে দেখা যায়, চীনের নৌবাহিনী ইতিমধ্যে ৭৫০টিরও বেশি জাহাজ নিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম নৌবাহিনী হিসেবে স্বীকৃত। এর মধ্যে রয়েছে বহু বিমান নৌবাহিনীর ক্যারিয়ার জাহাজ, অগ্রণী সাবমেরিন এবং অগ্রগামী মিসাইল‑সজ্জিত ক্রুজার। পাকিস্তানের নৌবাহিনী তুলনামূলকভাবে ছোট, প্রায় ৪০টি জাহাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ, তবে চীনের সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্বের ফলে আধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ পেতে পারে।

এটি স্পষ্ট যে, ভারতীয় নৌবাহিনীর সম্প্রসারণ শুধু সংখ্যার দিকেই নয়, গুণগত মানেরও উন্নতি ঘটাবে। চীন‑পাকিস্তানের নৌ‑শক্তি সঙ্গে তুলনা করলে, ২০৩৫ সালের মধ্যে ২০০টিরও বেশি জাহাজের লক্ষ্য অর্জন করলে ভারতের সামুদ্রিক প্রাধান্য অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে। তবে এই মহাসাগরীয় প্রতিযোগিতা শান্তিপূর্ণ সংলাপ ও আন্তর্জাতিক আইনের মানদণ্ডে পরিচালিত হলেই অঞ্চলটি সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা পাবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX