১১৪টি রাফালে কেনা হবে কি? ৩.২৫ লক্ষ কোটির প্রস্তাবে ভারতের বায়ুসেনা বড় পরিকল্পনা চালু
national7 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

১১৪টি রাফালে কেনা হবে কি? ৩.২৫ লক্ষ কোটির প্রস্তাবে ভারতের বায়ুসেনা বড় পরিকল্পনা চালু

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

সরকার রাফালে যুদ্ধবিমান ১১৪টি কিনতে ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকার প্রস্তাবনা অনুমোদনের পথে রয়েছে। এই চুক্তি বায়ুসেনার ঘাটতি পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে এবং ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।

বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান ঘাটতি দূর করতে ভারতের সরকার এক নতুন ধাপ চিহ্নিত করেছে। ফরাসি বিমান নির্মাতা দাসো অ্যাভিয়েশন কর্তৃক প্রস্তাবিত ১১৪টি রাফালে যুদ্ধবিমান কিনতে প্রায় ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট ধার্য করা হয়েছে। এই প্রস্তাবনা সরকারী অনুমোদনের দরজায় পৌঁছেছে এবং পরবর্তী আলোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আদেশ জারি করা হয়েছে।

রাফালে, যা ফ্রান্সের সর্বাধুনিক বহুমুখী যুদ্ধবিমান, ভারত পূর্বে ৩৮টি বিমান কেনার মাধ্যমে তার ফ্লাইট রিডি সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। নতুন চুক্তি সম্পূর্ণ করলে বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান ফ্লিটের সংখ্যা দেড় গুণ হবে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষত, উত্তেজনা বাড়া সীমান্ত ও সামুদ্রিক অঞ্চলে দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রদানের জন্য এই আধুনিক যন্ত্রপাতি অপরিহার্য।

বাজেটের দিক থেকে দেখা যায়, মোট ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকার প্রস্তাবনা সরকারীয় আর্থিক পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যদিও এই পরিমাণ বড়, তবু বায়ুসেনা ও রক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, দীর্ঘমেয়াদে রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণ খরচ হ্রাসের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে। তদুপরি, রাফালে ক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত প্রযুক্তি স্থানান্তর ব্যবস্থা ভারতের বিমান শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রস্তুতি পর্যায়ে, দাসো অ্যাভিয়েশন ইতোমধ্যে ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং ডেলিভারির সূচি নির্ধারণের কাজ চলছে। অনুমোদন পাওয়া মাত্রই প্রথম ব্যাচের বিমান সরবরাহ শুরু হবে, যা ২০২৫ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ হতে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের ফলে ভারত-ফ্রান্স কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিমণ্ডলে ভারতের অবস্থান শক্তিশালী হবে।

সারসংক্ষেপে, রাফালে কেনার এই বৃহৎ পরিকল্পনা কেবল বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান ঘাটতি পূরণই নয়, বরং দেশীয় শিল্পের উন্নয়ন, কূটনৈতিক বন্ধন ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা সফল হলে, ভারত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে নতুন শ্বাস নিতে পারবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX