স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দিল্লিতে ধারাবাহিক বোমাতঙ্ক, লালকেল্লা‑বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ
national7 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দিল্লিতে ধারাবাহিক বোমাতঙ্ক, লালকেল্লা‑বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন দিল্লি ও এনসিআরে ধারাবাহিক বোমাতঙ্কে শহর কাঁপে। লালকেল্লা ও বিমানবন্দরে দু'টি বিস্ফোরণে একাধিক মানুষ আহত, নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা নজরে।

আগামীকাল ১৫ অগস্টে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের ঠিক আগে, রাজধানী দিল্লি ও সংলগ্ন এনসিআর অঞ্চলে ধারাবাহিক বোমাতঙ্কে শহর কাঁপে উঠেছে। শুক্রবার রাতের শেষভাগে লালকেল্লা ও নিকটবর্তী দিল্লি বিমানবন্দরে দু’টি বিস্ফোরণ ঘটেছে, যার ফলে একাধিক মানুষ আহত হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ ও সিবিআই দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে বিস্ফোরণস্থলের উপর তদন্ত চালু করেছে।

লালকেল্লা এলাকায় প্রথম বিস্ফোরণটি রাত ১০:৩০টার দিকে ঘটেছে, যেখানে গৃহস্থালি এলাকায় থাকা একটি ঘরে স্ফোটিত ধমকায় ১৫ জনের কাছাকাছি লোক আহত হয়। আহতদের মধ্যে গৃহস্থালি মানুষ, কর্মচারী ও পার্শ্ববর্তী দোকানদার অন্তর্ভুক্ত। হাসপাতালের তৎপরতা দেখে আহতদের অবিলম্বে স্নায়ু-সার্জিক্যাল সেবা প্রদান করা হয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লি বিমানবন্দরে বিকাল ২টায় ঘটে যাওয়া বোমা ফাঁসের ফলে বিমানবন্দরের কিছু টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে, তবে কোনো ফ্লাইটে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাঘাত ঘটেনি।

প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করার দাবি জানিয়ে, দিল্লি শিকাগোর মন্ত্রীর অফিস রেডার্ড লিটলকে আজ রাতেই অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়। এনসিআর-র প্রধান পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, "এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলা আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ করে।" তারা সকল নাগরিককে সতর্ক থাকতে ও অজানা বস্তু নিয়ে সন্দেহ হলে তৎক্ষণাৎ পুলিশকে জানাতে আহ্বান জানিয়েছেন।

সিবিআই ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (আইএসআই) একত্রে তদন্ত করে, এই বোমাতঙ্কের পেছনে কে রয়েছে তা নির্ণয় করার চেষ্টা করছে। সূত্রপাতের ভিত্তিতে, এই হামলা সম্ভবত দেশীয় বা বিদেশি কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পরিকল্পনা হতে পারে, তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকারোক্তি পাওয়া যায়নি। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা দিবসের পূর্বে এমন ঘটনার বৃদ্ধি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জকে আরও তীব্র করে তুলছে।

উপসংহারে বলা যায়, স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে ঘটে যাওয়া এই বোমাতঙ্কের ফলে শুধুমাত্র প্রাণহানি নয়, শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপরও বড় প্রশ্ন চিহ্নিত হয়েছে। সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা সম্ভব হলেও, নাগরিকদের সচেতনতা ও সহযোগিতা অপরিহার্য। ভবিষ্যতে এমন আরেকটি ধাক্কা এড়াতে সবারই একসাথে কাজ করা জরুরি।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX