বাপ্পার গ্রেপ্তারি ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা, অবশেষে মুখ খুললেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়
রাজনীতি3 দিন আগে১ মিনিট পড়ুন

বাপ্পার গ্রেপ্তারি ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা, অবশেষে মুখ খুললেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

মিনিট১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের গ্রেপ্তারি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা। এই ঘটনায় অবশেষে মুখ খুললেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, যা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

< 1 মিনিট

কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠতা এবং রাজনৈতিক সমীকরণের মাঝে এই গ্রেপ্তারি কেবল আইনি পদক্ষেপ নয়, বরং এর নেপথ্যে গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। এই ঘটনায় যখন দলের অন্দরেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে, ঠিক সেই সময়েই নীরবতা ভেঙে মুখ খুললেন প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

বাপ্পাদিত্যর গ্রেপ্তারের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনিক চাপ অথবা অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরেই এই পদক্ষেপ। তবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আইনের শাসন চলবেই, কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্থা করা উচিত নয়। তাঁর এই মন্তব্যকে অনেক বিশেষজ্ঞই দলের অন্দরের ফাটল এবং ক্ষমতার লড়াইয়ের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও এই ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। একদিকে যেমন উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে দুর্নীতির অভিযোগ এবং গ্রেপ্তারি সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগিয়েছে। বাপ্পাদিত্যর সমর্থকরা একে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি করলেও, তদন্তকারী সংস্থাগুলি সমস্ত তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা এবং তাঁর সমর্থন বা অসম্মতি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

এই ঘটনার প্রভাব কেবল পুরসভার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে। বিরোধী দলগুলি এই সুযোগে শাসক দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে। তাদের দাবি, দলের অন্দরেই এখন শুদ্ধিকরণ চলছে, যার ফলস্বরূপ একের পর এক নেতা ধরা পড়ছেন। তবে শাসক শিবিরের দাবি, স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই ধরণের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের গ্রেপ্তারি এবং তার প্রেক্ষিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া আগামী দিনে পুরসভার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড়সড় রদবদল আনতে পারে। আইনের লড়াই একদিকে, আর রাজনৈতিক লড়াই অন্যদিকে— এই দুইয়ের টানাপোড়েনে এখন ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার। আপাতত আদালতের শুনানির দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX