তৃণমূল কাউন্সিলার বাপ্পাদিত্য গুপ্তের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজত, ধৃতের বাড়িতে লাইভ‑স্ট্রিমে প্রকাশ
রাজনীতি3 দিন আগে১ মিনিট পড়ুন

তৃণমূল কাউন্সিলার বাপ্পাদিত্য গুপ্তের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজত, ধৃতের বাড়িতে লাইভ‑স্ট্রিমে প্রকাশ

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

মিনিটতৃণমূল কাউন্সিলার বাপ্পাদিত্য গুপ্তের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন তিনি ধৃতের বাড়িতে লাইভ স্ট্রিম চালিয়ে নিজের স্বাস্থ্য ও অবস্থার কথা সরাসরি জনগণের সঙ্গে ভাগ করছেন। এই অস্বাভাবিক পদক্ষেপকে রাজনৈতিক কৌশল ও আইনগত সীমা নিয়ে বিতর্ক উত্থাপিত হয়েছে।

< 1 মিনিট

১৪ দিন আগে হঠাৎ পুলিশে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল পার্টির কাউন্সিলার বাপ্পাদিত্য গুপ্তের হেফাজত এখন শেষের দিকে পৌঁছেছে। তবে তার অদ্ভুত অভ্যাসের খবরও ছড়িয়ে পড়েছে—ধৃতের (ধীর) বাড়িতে এই সময় তিনি লাইভ স্ট্রিমে নিজেকে প্রকাশ করছেন। এই ঘটনা সংবাদমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, যেখানে জনমনে প্রশ্ন তুলছে হেফাজতে থাকা রাজনৈতিক নেতার এই অস্বাভাবিক আচরণ কেন।

হেফাজতকালে গুপ্তের আইনগত দল তাকে আদালতে হাজির করার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল, তবে তার পরিবার ও সমর্থকরা তার স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছিল। ধৃতের বাড়িতে লাইভ স্ট্রিমের মাধ্যমে তিনি তার দৈনন্দিন রুটিন, খাবার এবং শারীরিক অবস্থা নিয়ে সরাসরি দর্শকদের সঙ্গে কথা বলছেন। এই পদক্ষেপকে কিছু বিশ্লেষক ‘প্রচারমূলক’ হিসেবে মূল্যায়ন করছেন, আবার অন্যরা বলেন এটি হেফাজতে থাকা বন্দীর মানসিক চাপ কমাতে একটি পদ্ধতি।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, হেফাজতে থাকা কোনো ব্যক্তির সামাজিক মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিম চালু করা আইনত অনুমোদিত নয়, তবে তৎকালীন নিরাপত্তা শর্তাবলী মেনে চলার পরই এই ধরনের কার্যক্রম সম্ভব হয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, লাইভ স্ট্রিমে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বা হেফাজত লঙ্ঘনের প্রচেষ্টা দেখা গেলে তা সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করা হবে। তাছাড়া, গুপ্তের আইনজীবীরা আদালতে হেফাজত শর্তে পরিবর্তনের আবেদন জানিয়েছেন।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তৃণমূল পার্টি নেতারা জানিয়েছেন, বাপ্পাদিত্য গুপ্তের হেফাজতে থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন এবং সমর্থকদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে চান। পার্টি গঠনকর্তা সিদ্দার্থ সিংহা উল্লেখ করেছেন, “গুপ্তের স্বাস্থ্যের অবস্থা এবং হেফাজতে থাকা সময়ে তার মানসিক শান্তি বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ, তাই লাইভ স্ট্রিমকে একটি উপায় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে”। তবে বিরোধী দল এটিকে রাজনৈতিক কৌশল বলে অভিযোগ তুলেছে।

উপসংহারে বলা যায়, বাপ্পাদিত্য গুপ্তের হেফাজত এখনো শেষ হয়নি, কিন্তু লাইভ স্ট্রিমের মাধ্যমে তিনি জনমতকে সরাসরি সংযুক্ত করার চেষ্টা করছেন। আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে এই ধরনের প্রচারমূলক কার্যক্রমের সীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন, আর রাজনৈতিক দৃষ্টিতে এটি এক নতুন ধরণের যোগাযোগের পথ খুলে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আদালতে কি রায় হবে তা দেখা বাকি থাকবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX