কানাডার ব্র্যাম্পটনে খালিস্তানি সমর্থকরা ভারতে সেনা‑আক্রমণ ট্যাব্লো তুলে মিছিল
রাজনীতি2 দিন আগে১ মিনিট পড়ুন

কানাডার ব্র্যাম্পটনে খালিস্তানি সমর্থকরা ভারতে সেনা‑আক্রমণ ট্যাব্লো তুলে মিছিল

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

মিনিটব্র্যাম্পটনে খালিস্তানি সমর্থকরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর আক্রমণের ট্যাব্লোসহ মিছিল করে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ালেন, যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর চাপ বাড়িয়ে তুলেছে।

< 1 মিনিট

ব্র্যাম্পটন (কানাডা)‑এ গত রবিবার (৭ জুন) খালিস্তানিরা আবারও ভারত‑বিরোধী র‌্যালি আয়োজন করে দেশ‑বহির্ভূত মঞ্চে তীব্র উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ালেন। মিছিলের মূল শিরোনাম ছিল “১৯৮৪‑এর শিকারদের শত্রু নয়, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর শত্রু” এবং সেখানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর আক্রমণের ট্যাব্লোও ঝুলানো হয়েছিল। সমাবেশে হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন, যারা তীব্র দেশ‑নিরাপত্তা‑বিরোধী স্লোগান গাইছিলেন।

এই মঞ্চে প্রদর্শিত ট্যাব্লোতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সশস্ত্র বাহিনীর ছবি ও গ্রাফিক্স যুক্ত ছিল, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিন্দিত হিংসাত্মক রেটোরিকের উদাহরণ হিসেবে ধরা পড়েছে। কানাডার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের কর্মসূচি দুই দেশের দূতাবাসের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং ভারত‑কানাডা সম্পর্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তদুপরি, খালিস্তানিরা যুক্তরাষ্ট্র‑কানাডা মহাদেশে তাদের রাজনৈতিক স্বরূপ বজায় রাখতে এই ধরনের প্রতিবাদকে একটি ক্ষমতার প্রকাশ হিসেবে ব্যবহার করে।

ভারত‑কানাডার কূটনৈতিক সংযোগে এই ঘটনার প্রভাব স্পষ্ট; দু’দেশের মন্ত্রিপরিষদ ইতিমধ্যে এই ধরনের উস্কানিমূলক কার্যকলাপের বিরোধিতা করে একটি নোটিশ জারি করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ক্যাবিনেটের মাধ্যমে কানাডার সরকারকে সরাসরি নিন্দা জানিয়ে এই ধরনের হিংসাত্মক রেটোরিক বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

অবশ্যই, খালিস্তানি আন্দোলনের উত্থান ও তার আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থিতি একটি জটিল বিষয়, যা শুধুমাত্র একক ঘটনার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায় না। তবে বর্তমান পরিস্থিতি স্পষ্ট করে যে, উভয় দেশের নাগরিক ও নিরাপত্তা সংস্থাকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যাতে কোনো হিংসাত্মক ঘটনা এড়িয়ে চলা যায়।

উপসংহারে বলা যায়, ব্র্যাম্পটনে খালিস্তানিদের মিছিল কেবল একটি প্রতিক্রিয়াশীল কর্ম নয়, বরং ভারতের নিরাপত্তা নীতি এবং কানাডার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি সতর্ক সংকেত। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে উভয় দেশের কূটনৈতিক চ্যানেল সক্রিয় করে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX