
দম থাকলে বিদ্রোহীদের বিজেপি‑টিকিটে লড়ার নির্দেশ দিলেন কীর্তি আজাদ
মিনিটকীর্তি আজাদ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের পর “দম থাকলে বিদ্রোহীদেরকে বিজেপি‑টিকিটে লড়ার নির্দেশ” দিলেন, যা দলীয় একতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশ্ন তুলেছে।
নয়াদিল্লি—তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কীর্তি আজাদ রাষ্ট্রীয় শিবিরে রেডি‑টু‑গো শোনালেন। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে বললেন, “মা‑মাটি‑মানুষের স্বার্থ যদি দমে থাকে, তবে বিদ্রোহীদেরকে বিজেপির টিকিটে লড়ার নির্দেশ দিই।” আজাদের এই মন্তব্যের পেছনে কংগ্রেসের শাখা‑শাখিতে ছড়িয়ে পড়া অভ্যন্তরীণ বিরোধের চিত্র ফুটে উঠেছে, যেখানে কিছু নেতার মতামত ও নীতি ভিন্নতা দলের ঐক্যকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
সাংসদের কথায় দেখা যায়, কংগ্রেসের প্রাক্তন নেতা ও গৌরবময় খেলোয়াড় হিসেবে আজাদ, এখনো রাজনৈতিক মোড়ে শক্তিশালী ভাষা ব্যবহার করে দলকে একত্রিত করার চেষ্টা করছেন। তিনি তীব্রভাবে উল্লেখ করেছেন, “যদি আমাদের মাটি ও মানুষকে শ্বাস নিতে না দেয়া হয়, তবে আমাদেরকে অন্য কোনো শক্তির সাঁঝে দাঁড়িয়ে তাদের মুখোমুখি হতে হবে।”
এই বক্তব্যের প্রতি বিরোধী দল ও বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছে, কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধানে কি এমন তীব্র রেটরিক সত্যিই প্রয়োজন। কিছু বিশ্লেষকও ইঙ্গিত করেছেন, আজাদ সম্ভবত শিবিরের মধ্যে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং বাহ্যিক চাপের মুখে ত্বরান্বিত পদক্ষেপ নিতে চেয়েছেন।
অবশেষে, আজাদের মন্তব্যের ফলে তৃণমূলের গঠনমূলক আলোচনার দরজা আরও খোলা হতে পারে, তবে একই সঙ্গে রাজনৈতিক তীব্রতা বাড়িয়ে দলীয় একতা কতটুকু টিকে থাকবে, তা এখনই পরীক্ষা করা দরকার।
উপসংহারে বলা যায়, কীর্তি আজাদ যে “বৈধ বিরোধে পার্টি সীমানা ভাঙা” কথাটিকে তীব্র রূপে প্রকাশ করেছেন, তা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও শক্তি পুনর্গঠনের একটি সংকেত হতে পারে, তবে তা কি সঠিক দিকেই নেবে, তা ভবিষ্যতে দেখা যাবে।



