
ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে শুভেন্দুর হাতে ঘুচল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের ধাম‑তকমা
মিনিটওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি অনুসারে, সম্বিৎ পাত্র কলকাতা এসে দিঘা জগন্নাথ মন্দিরের পবিত্র ধাম‑তকমা শুবেন্দু গোষ্ঠীর হাতে হস্তান্তর করেছেন; এই ঘটনা দু’রাজ্যের সাংস্কৃতিক বন্ধনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির বিশেষ চিঠির পরেই, কেন্দ্রীয় BJP সাংসদ সম্বিৎ পাত্র কলকাতা এসেছেন এবং দিঘার (দিঘা) জগন্নাথ মন্দিরের পবিত্র ধাম‑তকমা হাতে তুলে দিয়ে এক অনন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছেন। পাত্রের এই সফরটি শুধুই ধর্মীয় সংযোগের জন্য নয়, বরং দু’টি রাজ্যের পারস্পরিক বন্ধনকে মজবুত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, দিঘা মন্দিরের ঐতিহ্যবাহী ধাম‑তকমা যদি পশ্চিমবঙ্গে প্রদর্শিত হয় তবে উভয় রাজ্যের সংস্কৃতিগত ঐতিহ্যকে একসঙ্গে তুলে ধরা যাবে। এই প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়ায়, পাত্র কলকাতা রাজ্যের সাংস্কৃতিক বিভাগ ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ব্যবস্থা গ্রহণের নিশ্চয়তা পেয়েছেন।
কেন্দ্রীয় অতিথি সম্বিৎ পাত্রের সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত হলেন শ্রী শুবেন্দু গোষ্ঠী, যিনি মন্দিরের তকমা হাতে নিলেন এবং তা জনসাধারণের সামনে উঁচু করে দেখালেন। তকমা গরম আলোতে ঝলমল করে, উপস্থিত ভক্তদের হৃদয়ে গভীর অনুভূতি জাগিয়ে তুলেছিল। শুবেন্দু গোষ্ঠী বললেন, “এই ধাম‑তকমা আমাদের দু’রাজ্যের বন্ধুত্বের প্রতীক, যা ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা সূচনা করবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন, এই পদক্ষেপটি BJP-এর উভয় রাজ্যের মধ্যে রাজনৈতিক সমন্বয় বাড়ানোর কৌশলগত উদ্যোগ। সাংস্কৃতিক বন্ধনকে রাজনৈতিক সমর্থনের সাথে যুক্ত করে, দলটি ভবিষ্যতে নির্বাচনী জায়গা সুরক্ষিত করতে চায়। স্থানীয় ভক্ত ও ব্যবসায়িক গোষ্ঠীও এই ঘটনার প্রশংসা করে, কারণ এটি পর্যটন ও স্থানীয় শিল্পে নতুন দিক উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সারসংক্ষেপে, মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে সম্বিৎ পাত্রের এই সফর ও তকমা হস্তান্তর দিঘা মন্দিরের ঐতিহ্যকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরেছে, এবং ওড়িশা‑পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ককে সুদৃঢ় করার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।



