
মমতা‑অভিষেক দিল্লিতে, কালীঘাট‑ক্যামাক স্ট্রিটে সিআইডি‑র ‘ডবল স্ট্রাইক’!
মিনিটসিআইডি একসাথে কালীঘাট ও ক্যামাক স্ট্রিটে অভিযান চালিয়ে মমতা‑অভিষেক জোড়ার সই‑জালিয়াতি নেটওয়ার্ক উন্মোচন করেছে; তদন্তের অগ্রগতি রাজনৈতিক জালকে ভাঙার সংকেত বহন করে।
মঙ্গলবার বিকেলের তাড়া‑তাড়ি, সিআইডি একসাথে দু’টি লক্ষ্যস্থলকে ঘিরে কঠোর অপারেশন চালায়; একদিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবন, আর অন্যদিকে ক্যামাক স্ট্রিটের ঘনিষ্ঠ চুক্তিবদ্ধ সই‑জালিয়াতি গোষ্ঠীর কার্যালয়। এই ‘ডবল স্ট্রাইক’ই প্রথমবারের মতো একাধিক স্থানে সমসাময়িকভাবে অভিযান চালিয়ে তদন্তকে নাটকীয় মোড় দেয়, যা শহরের রাজনৈতিক জালের নতুন দিক উন্মোচন করে।
অভিযান চলাকালে সিআইডি কর্মকর্তারা কেবলই সন্দেহভাজনদের বাড়ি তল্লাশি করেননি, বরং সই‑জালিয়াতির কাঁচা রেকর্ড, তহবিলের পেমেন্ট স্লিপ এবং মোবাইল ফোনের ডেটা চুরি করে বিশ্লেষণ করেছেন। সূত্র অনুসারে, মমতা‑অভিষেক জোড়া এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রাজনৈতিক ভোটের তালিকায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছিল, যা সর্বোচ্চ শাস্তি পেতে পারে।
কালীঘাটে রিসেপশন হালের মতোই গ্যাংস্টারদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে জড়িয়ে থাকা একাধিক নামের তালিকা প্রকাশ পায়। ক্যামাক স্ট্রিটে সিআইডি দল দ্রুতই ডকুমেন্টের পেছনের রূপরেখা বের করে, যা দেখায় কিভাবে গোপন চুক্তি ও পত্রবদল দিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিকৃত করা হচ্ছিল। এ সব তথ্যের প্রকাশে রাজনৈতিক দিগন্তে উত্তেজনা বাড়ছে।
প্রতিবেদন শেষ করে বলা যায়, সিআইডি‑র এই সমন্বিত অপারেশন কেবল একক অপরাধীর বিরুদ্ধে নয়, বরং বৃহৎ রাজনৈতিক জালিয়াতি নেটওয়ার্ককে চিহ্নিত করে দমকে মেরেছে। পুলিশের দৃঢ়তা এবং সৎ নাগরিকদের সহযোগিতা দিয়েই ভবিষ্যতে এমন গোপন পরিকল্পনা ভেঙে ফেলা সম্ভব, এটাই আশা করা যায়।



