
ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে শুভেন্দুর হাতে ঘুচল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের ধাম‑তকমা
মিনিটওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির অনুরোধে বিজেপি সাংসদ সম্বিৎ পাত্র দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে এক লক্ষ টাকা তকমা হস্তান্তর করে ধাম পুনর্নির্মাণে সহায়তা করেছেন। এই ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ ধর্মীয় ও সামাজিক মঙ্গলকে নতুন দিক দেয়।
ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির বিশেষ অনুরোধে বিজেপি সাংসদ সম্বিৎ পাত্র, যিনি বাংলা ভাষায় সাক্ষাৎকারে “শুভেন্দু” নামে পরিচিত, দিঘা‑সৈকতে অবস্থিত জগন্নাথ মন্দিরে এক লক্ষ টাকা নগদ তকমা হস্তান্তর করে শ্রীমন্তের সেবা কার্যক্রমে সহায়তা করেছেন। পাত্রের এই পদক্ষেপের পেছনে রাজনৈতিক ঐক্যের ছোঁয়া আছে, কারণ তিনি সন্ন্যাসী শুভেন্দু দে‑ব্রাহ্মণকে মন্দিরের ধাম গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তহবিল সরবরাহের আদেশ দেন।
মুখ্যমন্ত্রী মাঝি একটি বিশেষ চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে, দিঘা‑জগন্নাথ মন্দিরের পুরোনো ধামটি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ায় ত্রিপার্শ্বিক সংস্কার দরকার, এবং এই কাজের জন্য তিনি শুভেন্দুকে অনুদান দিতে ইচ্ছুক ছিলেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তহবিলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তদারকি থাকবে।
দিঘা‑জগন্নাথ মন্দির, যা পুরনো শৈবাল-শিলা কাঠামো ও রঙিন প্যানেলিং দিয়ে গৌরবময়, বহু ভক্তের আস্থার ভিত্তি। সম্বিৎ পাত্রের এই তকমা মন্দিরের ধাম পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় আর্থিক গতি প্রদান করবে, ফলে ভবিষ্যতে ধর্মীয় উৎসব ও সেবায় কোনো ঘাটতি থাকবে না।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভক্তরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “দূরদর্শী নেতা আর উত্সাহী সংসদীয় নেতা একসাথে মিলে ধর্মস্থানে তহবিল সরবরাহে অংশ নেওয়া খুবই প্রশংসনীয়।” তাদের মতে, এই দান কেবল মন্দিরের স্বরূপ রক্ষা নয়, কালীপুরের পর্যটন শিল্পের জন্যও নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত করবে।
অবশেষে, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি আবেদন ও সম্বিৎ পাত্রের তৎপরতা দেখায় যে, রাজ্য-সীমান্তের পার্থক্যকে পেরিয়ে, ধর্মীয় ঐক্য ও সাংস্কৃতিক সংযোগে নতুন দৃষ্টিকোণ গড়ে তোলা সম্ভব। এধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও রাজনীতিবিদদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াবে, যা সমাজের সামগ্রিক মঙ্গলার্থে কাজ করবে।



