
শিলিগুড়ি পুরনিগমে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের আবেগপ্রবণ ভাষণ: “জুটত শুধু অবহেলা!”
শিলিগুড়ি পুরনিগমে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ “জুটত শুধু অবহেলা!” বলে আবেগপ্রবণ ভাষণে গৃহস্থালির স্বাদ তুলে ধরেছেন এবং গমের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি চেয়েছেন। তার কণ্ঠে অনুশোচনা ও আশা মিশে আছে, যা উপস্থিত সকলকে স্পর্শ করেছে।
শিলিগুড়ি পুরনিগমের এক ভোরের অনুষ্ঠানে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের কণ্ঠে গুঞ্জর উঠেছে, যখন তিনি “জুটত শুধু অবহেলা!” বলে গুঞ্জন তুলেন। এক সময় গমের নানা সমাবেশে তিনি নেমে না আসার কথা শোনা যেত, আর যখন উপস্থিতি করেন, প্রাপ্য সন্মান ও স্বাগত জানানোর অভাব তাকে মর্মাহত করেছে। আজকের সান্ধ্য গৃহে তিনি গর্বের সঙ্গে গৃহস্থালির স্বাদ তুলে ধরেছেন, তবে একই সঙ্গে পুরনিগমের অবহেলাকে তীক্ষ্ণভাবে সমালোচনা করেছেন।
বিবেচনা করে দেখলে, শিলিগুড়ি পুরনিগমের সাংস্কৃতিক ধারা ও রাজনৈতিক পারস্পরিক ক্রিয়ায় একটি ফাঁক দেখা যায়। বিধায়ক ঘোষের মতে, গমের নেতৃবৃন্দের অপ্রতুল মনোযোগের ফলে স্থানীয় শিল্প ও সামাজিক সংহতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, “আমাদের সমাজের অগ্রগতি চাইলে, পুরনিগমের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি রাখা দরকার।”
বিবৃতি শেষে তিনি চোখে জল নিয়ে কাঁদতে শুরু করেন, যা উপস্থিত সকলকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। দর্শক ও অংশগ্রহণকারীরা তার আবেগকে স্বীকৃতি দিয়ে তালি ও স্নেহের ঝলক দেখিয়েছেন।
এই ঘটনা শিলিগুড়ি রাজনীতির নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে, যেখানে স্থানীয় সংবেদনশীলতা ও রাজনৈতিক স্বীকৃতি একসাথে হাত ধরবে। ভবিষ্যতে গমের সব স্তরে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হলে, কর্তৃপক্ষের সক্রিয় পদক্ষেপ ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।




