
দুয়ারে সরকারে রূপান্তর, ‘জনকল্যাণ শিবির’ ব্লকে‑ব্লকে শুরু; ১৫ জুন থেকে রাজ্যের সেবা সরাসরি নাগরিকের দরজায়
সরকার ‘দুয়ারে সরকার’ মডেলকে রূপান্তরিত করে ‘জনকল্যাণ শিবির’ চালু করবে, যেখানে ব্লকে‑ব্লকে সেবা সরাসরি নাগরিকের দরজায় পৌঁছাবে। ১৫ জুন থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি সেবা গতি বাড়াবে এবং জনসাধারণের সঙ্গে সরকারের সংযোগকে মজবুত করবে।
রাজ্য সরকার আবারও ‘দুয়ারে সরকার’ মডেলকে রূপান্তরিত করে নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিল। ১৫ জুন থেকে ‘জনকল্যাণ শিবির’ নামে একটি বিস্তৃত কর্মসূচি চালু হবে, যেখানে বিভিন্ন থলায় থলি, রক্তদান, পাসপোর্ট সেবা, মেধা যাচাই সহ নানা সরকারি সুবিধা একসাথে নাগরিকের কাছে পৌঁছানো হবে। এই শিবিরগুলোকে ব্লকে‑ব্লকে স্থাপন করা হবে, যাতে শহরের প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ সহজে অংশ নিতে পারে এবং দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা না করে সেবা পেতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এই পরিকল্পনা অনুমোদন পাওয়ার পর, কলকাতার উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম জেলায় প্রথম রাউন্ডের শিবিরগুলো গঠন করা হয়েছে। প্রতি শিবিরে ১০০ টির বেশি কর্মী নিয়োজিত থাকবে, যারা নাগরিকের প্রশ্নের ত্বরিত উত্তর দেয়া এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহে সহায়তা করবে। বিশেষ করে দরিদ্র ও অল্প-আয়ের গৃহস্থালির জন্য এই উদ্যোগকে এক বড় সঞ্চয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
‘দুয়ারে সরকার’ মডেলটি পূর্বের কেন্দ্রীয় সরকারী নীতি থেকে আলাদা, কারণ এতে পরিষেবার দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসনের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়বে এবং জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সেবা কাস্টমাইজ করা সম্ভব হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি এই শিবিরগুলো সুষ্ঠু ভাবে চালু হয়, তবে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা বাড়বে।
সারসংক্ষেপে, ‘জনকল্যাণ শিবির’ প্রকল্পটি শুধু সেবা সরবরাহের পদ্ধতি বদলাবে না, বরং নাগরিক-সরকারের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করবে। সরকার যদি এই উদ্যোগকে ধারাবাহিক রাখে, তবে ভবিষ্যতে অন্য রাজ্যগুলিকেও অনুকরণ করতে উৎসাহিত করবে, যা শেষ পর্যন্ত দেশের সমগ্র প্রশাসনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করবে।




