
পূর্ব বঙ্গের অর্থে গড়ে উঠছে কলকাতা — এনসিপি নেতার তীক্ষ্ণ মন্তব্য
এনসিপি নেতা শ্রী সাইফুল হোসেনের মতে, কলকাতা পূর্ব বঙ্গের অর্থনৈতিক বিকাশের মূল চাবিকাঠি। তবে ঢাকার সংসদে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ভারত‑বিরোধী মন্তব্যের ধারাবাহিকতা দুই দেশের সম্পর্ককে চাপের মধ্যে ফেলছে।
কলকাতা — পূর্ব বঙ্গের অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তুলতে কলকাতার ভূমিকা বাড়ছে, এ কথা বললেন ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির নেতা শ্রী সাইফুল হোসেন। হোসেনের মতে, দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে বাংলাদেশের কিছু নেতা কলকাতাকে “বিকাশের মডেল” হিসাবে উল্লেখ করছেন, আর তা দেশের আর্থিক নীতির উপর প্রভাব ফেলছে। তিনি যোগ করেছেন, “যদি আমরা কলকাতার শিল্প, সেবা ও বাণিজ্যিক কাঠামোকে পুনর্গঠন করি, তবে পূর্ব বঙ্গের সমগ্র অর্থনীতিই শক্তিশালী হবে।”
এদিকে, ঢাকার সংসদে ভারত‑বিরোধী মন্তব্যের ধারাবাহিকতা দেখা দিচ্ছে। সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ধারাবাহিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নীতিগুলোকে সমালোচনা করছেন, যা দুই দেশের মধ্যেকার সম্পর্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। ইসলাম দাবি করছেন, “শুভেন্দু অধিকারীর নীতি আমাদের দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় আমরা তা নিয়ে তীব্র আলোচনায় লিপ্ত।”
কোলকাতার আর্থিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কলকাতা এখন তথ্যপ্রযুক্তি, স্টার্ট‑আপ ও সৃজনশীল শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তরিত হচ্ছে। এই পরিবর্তন পূর্ব বঙ্গের অন্যান্য শহরের জন্য একটি রোল মডেল হয়ে উঠতে পারে। তবে তারা সতর্ক করছেন, এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দু’দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের স্বচ্ছতা ও পারস্পরিক সম্মান প্রয়োজন।
বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, কলকাতার উন্নয়ন পরিকল্পনা যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে তা পূর্ব বঙ্গের মোট GDP-তে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। ফলে, রাজনৈতিক কথোপকথনের চেয়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও রপ্তানি‑আনাতের দিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত।
উপসংহারে বলা যায়, এনসিপি নেতার মন্তব্যে দেখা যায় একটি স্বচ্ছ চিত্র—কলকাতা কেবল পশ্চিমবঙ্গের নয়, পুরো পূর্ব বঙ্গের সমৃদ্ধির চাবিকাঠি। এই দৃষ্টিভঙ্গি যদি নীতি-নির্ধারক ও ব্যবসা সংস্থাগুলো গ্রহণ করে, তবে দুই দেশের পারস্পরিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত হবে।




