ফের কি এনকাউন্টারের পথে রাজ্য? কামদুনি থেকে কালীগঞ্জে প্রতিবাদের সুর
রাজনীতি8 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ফের কি এনকাউন্টারের পথে রাজ্য? কামদুনি থেকে কালীগঞ্জে প্রতিবাদের সুর

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

কামদুনি কাণ্ডের শোকস্মৃতি আজকাল কালীগঞ্জে প্রতিবাদে রূপ নেয়। জনমত ও রাজনৈতিক চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি তীব্র হয়েছে।

২০১৩ সালের ৭ জুন উত্তর‑২৪ পরগনার কামদুনি কাণ্ডে এক কলেজের ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়, যা সমগ্র রাজ্যকে নড়ে দিল। ঘটনাটির পর পুলিশ ও জুডিশিয়াল প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিক ব্যর্থতা দেখা গিয়েছে, ফলে জনগণের মধ্যে ব্যাপক অবিশ্বাস রয়ে গিয়েছে।

এই বছর, কামদুনির নিকটবর্তী কালীগঞ্জে বৃহৎ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় ছাত্র ও নারীর সংগঠনগুলো রাস্তায় গিয়ে দাবি করে যে অপরাধীর শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত করা হোক এবং সঠিক তদন্তের জন্য সরকারকে ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে বলা হচ্ছে। সমাবেশে উপস্থিতদের সংখ্যা প্রায় দুই হাজারের বেশি, যেখানে তারা মঞ্চে শোকসঙ্গীত গেয়ে, ন্যায়বিচারের আহ্বান জানাচ্ছে।

রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর অফিসে প্রতিবাদকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে নিমন্ত্রণ পাঠিয়ে, ক্যাবিনেটকে মামলার পুনঃপর্যালোচনা এবং রেজিস্ট্রেশন ফাইলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অনুরোধ করেছে। কয়েকটি রাজনৈতিক দলও এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে, এনকাউন্টার না হলে আইনি পদ্ধতিতে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার কথা উল্লেখ করেছে।

বিশ্লেষকরা বলেন, কামদুনির মত নৃশংস অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা না নিলে রাজ্যের শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। একদিকে, জনমত ও মিডিয়ার চাপ বাড়ার সাথে সাথে সরকারকে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে, অন্যদিকে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য অতিরিক্ত টাকার বরাদ্দ ও বিশেষ টাস্কফোর্সের প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে।

সারসংক্ষেপে, কামদুনির কাণ্ডের দুঃখজনক স্মৃতি এখন কালীগঞ্জে নতুন শক্তি পেয়েছে। জনগণ ন্যায়বিচারের দাবি করে, এবং যদি সরকার সময়মতো পদক্ষেপ না নেয়, তবে এনকাউন্টার বা কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা বাড়বে—এইটাই রাজ্যের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার মূল চাবিকাঠি।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX