
FCRA সংশোধনে বিদেশি তহবিলে কড়া নজর! জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তিতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রে
FCRA‑তে বৃহৎ সংশোধনের মাধ্যমে বিদেশি তহবিলের ব্যবহারকে জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করে সরকার কঠোর নজরদারি আরোপ করেছে। নতুন নিয়মে তহবিলের স্বচ্ছতা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকার বিদেশি তহবিলের মাধ্যমে পরিচালিত সংস্থা, অ্যাডভোকেসি গোষ্ঠী, তথ্য প্রচার নেটওয়ার্ক, থিঙ্ক‑ট্যাঙ্ক, একাডেমিক সহযোগিতা এবং সিভিল সোসাইটি সংগঠনের কাজকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করার নতুন নির্দেশনা জানিয়েছে। বিদেশি তহবিলের ব্যবহারকে জাতীয় নিরাপত্তার সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে ফোরেন ক্যাশ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট (FCRA)‑এ ব্যাপক সংশোধন আনা হচ্ছে। এ সংশোধনের মূল লক্ষ্য হল তহবিলের উত্স, প্রবাহ এবং ব্যয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, যাতে কোনো গোপনীয় অর্থায়ন থেকে দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
সরকারের কর্মকর্তারা বলেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিদেশি দাতা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলোকে নিয়মিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে এবং তাদের কার্যক্রমের পর্যালোচনা ত্বরান্বিত হবে। এখন যেসব সংগঠন বড় পরিমাণে বিদেশি তহবিল পায়, তাদেরকে পূর্ব অনুমোদন ছাড়া কোনো প্রকল্প শুরু করা যাবে না। তদুপরি, তহবিলের ব্যবহার ঘনিষ্ঠভাবে ট্র্যাক করে কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তি আরোপ করা হবে।
এই নীতি পরিবর্তনের ফলে সিভিল সোসাইটি ক্ষেত্রের অনেক গোষ্ঠী উদ্বিগ্ন, কারণ এখন তাদের কাজের স্বায়ত্তশাসন সীমিত হতে পারে। তবে নিরাপত্তা তত্ত্বাবধানে সরকার দাবি করে, এই কঠোর ব্যবস্থাই দেশের স্বার্থ রক্ষার একমাত্র উপায়। বিশ্লেষকরা মত দেন, সংশোধনটি যদি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়, তবে বিদেশি হস্তক্ষেপের ঝুঁকি কমে যাবে এবং দেশীয় সংস্থার স্বচ্ছতা বাড়বে।
সর্বশেষে, সরকার জানিয়েছে যে এই নতুন বিধি শীঘ্রই সংসদে পেশ করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সময়সীমা দেওয়া হবে মানিয়ে নিতে। জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় যদি এই উদ্যোগ সফল হয়, তবে ভবিষ্যতে বিদেশি তহবিলের সঙ্গে কাজ করা কোনো সংস্থাই অবৈধ কার্যকলাপের পরিধিতে আসবে না।




