
‘ডিম‑জুতো কাঁদা খেতে দিন!’ — মমতার গাড়িতে কাদা‑কাণ্ডে তাথাগতের প্রশাসনিক আবেদন
হালিশহরে তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর পর মমতার গাড়ি কাদায় আটকে যান; তাথাগত রয় প্রশাসনকে দ্রুত পরিষ্কার‑পরিচ্ছন্নতার আদেশ দেন। সড়ক‑নিরাপত্তা রক্ষায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ত্বরিত পদক্ষেপের আহ্বান।
কলকাতা‑হালিশহরের পথে তৃণমূল কর্মীর অকাল মৃত্যুর পর তার পরিবারকে সমবেত হতে গিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের গাড়ি কাদায় আটকে যায়। গাড়িতে অল্প সময়ের জন্য কাঁদা জমে, ফলে চালকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি থেমে যায়। এই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে জনসাধারণের মধ্যে অশান্তি দেখা যায়; কিছু প্রতিবেশী গাড়িতে পাথর ছুঁড়ে ফেলে গরম গরম গালাবাজি করে।
বিকলবিলি সময়ে, তাথাগত রয়, যিনি হালিশহরে গৃহীত তিরস্কারমূলক মন্তব্যের জন্য পরিচিত, এই ঘটনায় প্রশাসনকে ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ট্যাক্সি, সড়ক পরিষেবা ও স্থানীয় মিউনিসিপ্যাল অফিসকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন কাদা জমা হওয়া এলাকায় দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কাজ চালু করা হয়, যাতে আর কোনো গাড়ি বা যাত্রীকে ঝুঁকিতে না ফেলা হয়। তাথাগত রয় আরও জোর দিয়ে বলেছেন, "শহরের গৃহস্থালী রাস্তায় এই ধরনের অবহেলা চলতে না পারে; নাগরিকের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।"
স্থানীয় অধিকারের মতে, কাদা জমার মূল কারণ হল বৃষ্টির সেচের অনিয়মিত ব্যবস্থা এবং রাস্তার গাটে নিষ্কাশনের অভাব। এই সমস্যার সমাধান না করলে ভবিষ্যতে আরও রাস্তায় গাড়ি আটকে যাওয়া, পাথর ছোড়া ইত্যাদি বিশৃঙ্খলা বাড়বে। তাই, শহরপরিকল্পনা বিভাগকে জরুরি পরিকল্পনা তৈরি করে কাদার নিকাশ ব্যবস্থা দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।
অবশেষে, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের গাড়িতে ঘটিত এই ছোটো কাণ্ডটি বৃহত্তর সড়ক-পরিচালনা সমস্যার প্রতিফলন। তাথাগত রয়ের আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সক্রিয় পদক্ষেপই শহরের গতি-নিয়ন্ত্রণকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে, নাগরিকের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করবে। এটাই হলে "ডিম‑জুতো কাঁদা খেতে দিন!" না বলে, সবার মুখে হাসি ফিরে আসবে।




