
দম থাকলে বিদ্রোহীদের বিজেপির টিকিটে লড়ার নির্দেশ‑কে কীর্তি আজাদের তীব্র প্রতিবাদ
মিনিটকীর্তি আজাদ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহকে কঠোর সমালোচনা করে এবং ‘দম থাকলে বিদ্রোহীদেরকে বিজেপির টিকিটে লড়ার’ নির্দেশকে অবৈধ ঘোষণার দাবি করেন। তিনি পার্টির শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার আহ্বান জানান।
নতুন দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের উপরে পার্টির সিনিয়র নেতা কীর্তি আজাদ রাগে চেতনা জাগিয়েছেন। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্টভাবে বললেন, “মা‑মাটি‑মানুষের স্বার্থে যদি দম না থাকে, তবে বিদ্রোহীদেরকে বিজেপির টিকিটে লড়তে বলা অবৈধ ও হিংসাত্মক নির্দেশনা।” তাঁর মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে সমর্থক ও বিরোধী দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র তর্কের স্রোৎ শুরু হয়।
আজাদ জানান, তৃণমূলের ভিতরে গঠিত অস্থায়ী গোষ্ঠী পার্টির ঐতিহ্য ও আদর্শকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে এবং তা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতি করে। তিনি তৎক্ষণাৎ পার্টির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দম ভাঙার সঠিক উপায় হিসেবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও সুষ্ঠু আলোচনা চালু করার আহ্বান জানালেন। তাছাড়া, তিনি বিজেপি-সংশ্লিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরামর্শের বিরুদ্ধে কঠোর নোটিশও জারি করেছেন।
বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন, আজাদের এই তীব্র সমালোচনা তৃণমূলের অভ্যন্তরে বিদ্যমান বিভাজনকে উন্মোচিত করতে পারে এবং পার্টি শাসন কাঠামোর পুনর্গঠনকে ত্বরান্বিত করবে। একই সঙ্গে, এই রকম উক্তি কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক পরিবেশে গরমে গরম বিতর্কের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অভিযোগের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা দরকার, কীর্তি আজাদ কংগ্রেসের স্বতন্ত্রতা রক্ষা ও জাতীয় অখণ্ডতা বজায় রাখতে একতাবদ্ধ পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত বলেন, “যদি সত্যিকারের সেবা করতে চাই, তবে পার্টির ভেতরে দম না থাকলে, বাহ্যিক টিকিটে লড়াই করা সঠিক নয়।” এই দৃঢ় অবস্থান তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নীতি ও কৌশল নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



