
বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপের নতুন রেকর্ড, গোলের বন্যায় তৃতীয় স্থানে ইংল্যান্ড
বিশ্বকাপের মঞ্চে নতুন রেকর্ড গড়লেন কিলিয়ান এমবাপ। অন্যদিকে, প্রচুর গোল করেও তৃতীয় স্থানে সন্তুষ্ট থাকতে হলো ইংল্যান্ডের। ফ্রান্সের দাপটে ফের প্রমাণিত হলো ইউরোপীয় ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব।
বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখল ফ্রান্স। একদিকে যেমন কিলিয়ান এমবাপের অবিশ্বাস্য গোল করার ক্ষমতা ফুটবল বিশ্বকে চমকে দিয়েছে, তেমনই শেষ দুই বিশ্বকাপের দাপট প্রমাণ করে দিয়েছে যে ফরাসিরা এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম প্রধান শক্তি। রাশিয়ার বুকে অলিভার জিরুড এবং আতোয়া গ্ৰিজম্যানদের যে ছন্দ দেখা গিয়েছিল, তা এবার এমবাপের নতুন রেকর্ডের সাথে মিলে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।
ফরাসি দলের বর্তমান সাফল্যের মূল কারিগর এমবাপ। তাঁর গতি এবং নিখুঁত ফিনিশিং প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগকে কার্যত তছনছ করে দিচ্ছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে গোল করার ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই তারকা খেলোয়াড়। মাঠের লড়াইয়ে তাঁর এই দাপট শুধু ফ্রান্সকেই এগিয়ে রাখছে না, বরং ব্যক্তিগত স্তরেও তাঁকে ইতিহাসের সেরা স্ট্রাইকারদের তালিকায় উপরের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। টুর্নামেন্টে গোলের বন্যা বইয়ে দিয়ে তারা তৃতীয় স্থানে শেষ করলেও, চূড়ান্ত মঞ্চে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়া তাদের জন্য বড় ধাক্কা। ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগ যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রক্ষণভাগের কিছু ভুল তাদের শিরোপার দৌড় থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। তবুও তৃতীয় স্থান দখল করাটা তাদের জন্য একটি ইতিবাচক দিক।
ফরাসিদের এই ধারাবাহিকতা এবং ইংল্যান্ডের লড়াই ফুটবল প্রেমীদের মনে করিয়ে দিল যে, ইউরোপীয় দলগুলোর আধিপত্য এখনও অটুট। এমবাপের মতো তরুণ প্রতিভাদের উত্থান এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঠিক মেলবন্ধনই ফ্রান্সকে বিশ্বসেরার দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে। আগামী টুর্নামেন্টগুলোতে এই ধারা বজায় রাখতে পারবে কি না, এখন সেটাই দেখার।
সামগ্রিকভাবে, এবারের বিশ্বকাপ যেমন ব্যক্তিগত রেকর্ডের সাক্ষী থাকল, তেমনই দলের সংহতির গুরুত্ব বুঝিয়ে দিল। এমবাপের রেকর্ড এবং ইংল্যান্ডের লড়াই ফুটবল ইতিহাসের পাতায় এক বিশেষ স্থান করে নিল। এখন প্রত্যাশা, আগামী দিনে আরও রোমাঞ্চকর ফুটবল লড়াই দেখা যাবে বিশ্বমঞ্চে।




