ইউরোপ‑আমেরিকা‑এর পর আবার এশিয়া! ফিফার ‘কর্পোরেট নিলাম’ পরিকল্পনা বিকল, উয়েফা‑কনকাকাফে নিক্ষেপ
sports4 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ইউরোপ‑আমেরিকা‑এর পর আবার এশিয়া! ফিফার ‘কর্পোরেট নিলাম’ পরিকল্পনা বিকল, উয়েফা‑কনকাকাফে নিক্ষেপ

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ফিফা জিয়ান্নি ইনফ্যান্টিনোর বিশ্বকাপ নিলাম পরিকল্পনা উয়েফা ও কনকাকাফের সমন্বিত পদক্ষেপে ফাঁসিয়ে গেছি। এশিয়ার ফুটবলে আবারও বিদ্রোহের ঢেউ, ন্যায়সঙ্গত নীতি রক্ষার আহ্বান।

বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে বসে থাকা ফিফা (FIFA) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্টিনো টাকার লোভে বিশ্বকাপকে কর্পোরেট নিলামে তোলার পরিকল্পনা গোপনে গঠন করছিলেন। তবে ইউরোপের উয়েফা (UEFA) ও উত্তর‑আমেরিকার কনকাকাফ (CONCACAF) এই গোপন নথি উন্মোচন করে ফিফার গলায় ফাঁসিয়ে দেয়। উভয় মহাদেশের সংস্থা একত্রে বলেছে, যদি বিশ্বকাপের হক্‌স মালিকানা বাণিজ্যিকভাবে হস্তান্তর করা হয়, তবে তা ফুটবলকে সম্পূর্ণ একঘরে করে তুলবে।

উয়েফা ও কনকাকাফের এই পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক ফুটবলের শুদ্ধতা রক্ষার দিক থেকে এক শক্তিশালী বার্তা পাঠানো হয়েছে। উভয় সংস্থা একত্রে টানা দুই সপ্তাহের মধ্যে ফিফার সঙ্গে আলোচনা করে নিলাম নীতি বাতিলের দাবি জানিয়েছে। এদিকে, এশিয়ার ফুটবল গঠনকারী এএফসি (AFC)ও অবিলম্বে এই নিলাম পরিকল্পনা রোধে সমর্থন জানিয়েছে, যাতে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোকে স্বতন্ত্রভাবে বিশ্বকাপের হোস্টিং সুযোগ না হারাতে হয়।

বিশ্বব্যাপী ফুটবলের ভক্তদের মধ্যে এই খবরটি তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, যদি নিলাম চালু থাকে, তবে ছোট দেশগুলো বড় কর্পোরেশনের হস্তক্ষেপে নিজস্ব টিকিট হারিয়ে ফেলবে। তাই ফিফার ভবিষ্যৎ নীতি গঠনেও স্বচ্ছতা ও সমতা বজায় রাখা জরুরি, নইলে বিশ্বব্যাপী ফুটবলের আকর্ষণ ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে পারে।

ফিফা এখনো স্পষ্টভাবে কোনো মন্তব্য প্রকাশ করেনি, তবে সংস্থার অভ্যন্তরে গোপন নথি ফাঁস হওয়ায় অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ছে। বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, ফিফা যদি নিলাম নীতি বজায় রাখে, তবে উয়েফা, কনকাকাফ ও এএফসি’র সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হবে, এবং আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আয়োজনে বাধা আসবে। এদিকে, ফুটবল প্রেমিকদের প্রত্যাশা রয়ে গেল, যেন বিশ্বকাপের আত্মা কেবল লোভের খেলায় রূপ না নেয়।

উপসংহারে, ইউরোপ‑আমেরিকার পর এশিয়ার ফুটবলে আবারও বিদ্রোহের স্রোত বইছে। উয়েফা ও কনকাকাফের দ্রুত পদক্ষেপ ফিফার কর্পোরেট নিলাম স্বপ্নকে নষ্ট করেছে, এবং এশিয়ার ফুটবলের স্বাধীনতা রক্ষায় নতুন দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। বিশ্ব ফুটবল এখন একতাবদ্ধভাবে লোভমুক্ত, ন্যায়সঙ্গত ও স্বচ্ছ নীতি অনুসরণে অগ্রসর হওয়া দরকার, যাতে খেলাটির মৌলিক মান বজায় থাকে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX