শিলিগুড়ি পুরনিগমে অবৈধ হোর্ডিং ও ব্যানারের ওপর কঠোর পদক্ষেপ, শহরের সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা রক্ষায়
state2 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

শিলিগুড়ি পুরনিগমে অবৈধ হোর্ডিং ও ব্যানারের ওপর কঠোর পদক্ষেপ, শহরের সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা রক্ষায়

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

শিলিগুড়ি পুরনিগমে অবৈধ হোর্ডিং ও ব্যানারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালু হয়েছে, যাতে শহরের সৌন্দর্য, স্বাভাবিক যান চলাচল ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। মেয়র রাহুল চৌধুরীর নেতৃত্বে গৃহপরিকল্পনা দল ও পুলিশ একসাথে কাজ করে রাস্তায় জোরালো শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছে।

শিলিগুড়ি পুরনিগমে সোমবার সকাল থেকে অবৈধ হোর্ডিং ও বেআইনি ব্যানারগুলোকে লক্ষ্য করে নগরসেবা দল কঠোর অভিযান চালিয়ে শহরের রাস্তায় জোরালো শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনছে। গৃহপরিকল্পনা ও নগরসেবা বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়ে বলছেন যে, রাস্তায় অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ভিড় করা শুধু নগরদৃশ্যকে নষ্ট করে না, বরং যান চলাচলেও বাধা সৃষ্টি করে, যা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ।

অভিযান চলাকালে গৃহপরিকল্পনা দলগতভাবে ৪৩টি অবৈধ হোর্ডিং সাইট এবং ২৮টি বেআইনি ব্যানার পুড়িয়ে ফেলেছে। তদুপরি, স্থানীয় ব্যবসায়িক ঘাঁটিগুলোর সহায়তায় হোর্ডিংয়ের জন্য ব্যবহৃত তামা, কাঠ ও প্লাস্টিকের মতো উপকরণগুলো পুনর্ব্যবহার কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান রাখা হয়েছে। পুলিশ দপ্তরও সমন্বয়ে গিয়ে অবৈধ কাঠামোর বিরুদ্ধে রেকর্ডে নথিভুক্ত করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে পুনরাবৃত্তি রোধ করা যায়।

পুরনিগমের মেয়র রাহুল চৌধুরী বলেন, “শহরের সৌন্দর্য রক্ষা, রাস্তায় চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার। আজকের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা একটি পরিষ্কার, সুশৃঙ্খল শিলিগুড়ি গড়ে তুলতে চাই।” তিনি আরও যোগ করেন যে, ভবিষ্যতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও জরুরি শাসনব্যবস্থা প্রয়োগ করে অবৈধ হোর্ডিংয়ের পুনরাবৃত্তি রোধ করা হবে।

এ ছাড়া, নগরসেবা বিভাগে নতুনভাবে একটি ‘হোর্ডিং মনিটরিং সেল’ গঠন করা হয়েছে, যা রাস্তায় কোনো অবৈধ সঞ্চয় বা ব্যানার দেখা মিললে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নেবে। স্থানীয় ব্যবসায়িক সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে নাগরিকদের অংশগ্রহণ বাড়ে এবং শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকে।

সারসংক্ষেপে, শিলিগুড়ি পুরনিগমের এই কঠোর ব্যবস্থা নগরদৃশ্যের সুরক্ষা, যান চলাচলের স্বাভাবিকতা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। অবৈধ হোর্ডিং ও ব্যানার নির্মূলের মাধ্যমে শহরের সৌন্দর্য পুনরুদ্ধার হয়েছে এবং নাগরিকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হয়েছে। এধরনের পদক্ষেপ ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে শহরের উন্নয়নকে টেকসই করা সম্ভব হবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX