দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তেজ কমে গেল, কলকাতার আকাশ কি পরিষ্কার হবে?
weather14 ঘণ্টা আগে২ মিনিট পড়ুন

দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তেজ কমে গেল, কলকাতার আকাশ কি পরিষ্কার হবে?

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

দুই দিনের বৃষ্টির পর কলকাতার আকাশ পরিষ্কার হয়েছে, তবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়ে গেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে তাপমাত্রা স্বল্পমেয়াদে কমবে, তবে রাতের দিকে আবার বৃষ্টির ঝুঁকি থাকতে পারে।

টানা দু’দিনের ধারাবাহিক বৃষ্টির পর আজ সকালে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ কিছুটা পরিষ্কার হওয়ায় শহরবাসীর স্বস্তি বেড়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে যে, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তেজ গতকালই হঠাৎ কমে গিয়েছে, ফলে মেঘের গাঢ়তা হ্রাস পেয়েছে। তবে মেজাজে পরিবর্তন আনতে বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা এখনো রয়ে গেছে, তাই রাতের দিকে আবার হালকা বৃষ্টির ঝড় দেখা যেতে পারে।

আজকের পূর্বাভাসে কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি, ন্যূনতম ২৪ ডিগ্রি থাকা অনুমান করা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা ২০ শতাংশ, মেঘলা আকাশে কখনো কখনো হালকা বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে পারে। সন্ধ্যায় হালকা বাতাসের গতি ১৫ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা শহরের তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে দেবে। তবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সাইকেল চালানো কিংবা হালকা জুতা পরা সময়ের সাথে মানিয়ে নিতে হবে।

গত দুই দিন বৃষ্টির কারণে রাস্তা জুড়ে জলসঞ্চয়, ট্রাফিক জ্যাম ও পাবলিক পরিবহন দেরি সহ নানা অসুবিধা দেখা গিয়েছিল। বৃষ্টির তেজ কমে যাওয়ায় এখন রাস্তায় জলময়তা কমে এসেছে, তবে রাত্রিকালে আবারও পলসিত বৃষ্টির ঝুঁকি থাকায় বাস গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকদের সতর্কতা দরকার। শীতল বাতাসের প্রবাহ শহরের তাপমাত্রা হ্রাসে সহায়ক হবে, তবে ভেজা মাটি থেকে সৃষ্ট গন্ধের জন্য কিছু এলাকায় অল্প সময়ের জন্য অসুবিধা দেখা যেতে পারে।

মহানগরীয় আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ ডঃ রনিত দাস বলেছেন, “দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তেজ কমলেও, মেঘের গঠন এখনও অস্থিতিশীল। তাই কলকাতায় রাতের দিকে হালকা স্যাঁতসেঁতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়ে গেছে। বাসিন্দাদের উচিত হালকা রেইনকোট সঙ্গে রাখা এবং বৃষ্টির পর জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য স্বেচ্ছাসেবক গোষ্ঠীর সঙ্গে সমন্বয় করা।” তিনি আরও যোগ করেন যে, আগামী সপ্তাহে কোনো বড় বৃষ্টির নোটিশ না আসা পর্যন্ত বর্তমান পরিস্থিতি বজায় থাকবে।

উপসংহারে বলা যায়, বৃষ্টির তেজ কমে যাওয়া স্বল্পমেয়াদে শহরের পরিবেশকে স্বচ্ছ করে তুলবে, তবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা অগ্রাহ্য করা যাবে না। শহরের বাসিন্দা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো যেন আবহাওয়া দফতরের আপডেট নিয়মিত অনুসরণ করে, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করে, যাতে হঠাৎ বৃষ্টির ঝড়ে কোনো অসুবিধা না হয়। এই সতর্কতা ও সমন্বয়ই শহরের দৈনন্দিন জীবনকে মসৃণভাবে চালিয়ে যাওয়ার চাবিকাঠি।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX