হিমালয়ে চরম বৃষ্টিপাতের ঝুঁকি বাড়ছে, জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্র প্রভাব স্পষ্ট
weather17 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

হিমালয়ে চরম বৃষ্টিপাতের ঝুঁকি বাড়ছে, জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্র প্রভাব স্পষ্ট

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

হিমালয়ের চরম বৃষ্টিপাতের ঘটনা বাড়ছে, যা জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবিক ক্রিয়াকলাপের ফল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বরিত পদক্ষেপ না নিলে আগামী দশকে দুর্যোগের ঝুঁকি আরও বাড়বে।

হিমালয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে চরম বৃষ্টিপাতের ঘটনা ক্রমশ ঘন এবং তীব্রতর হচ্ছে, এমনই জানালেন ন্যাশনাল মেটেরোলজি অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা। একের পর এক ভয়ংকর বন্যা, ভূমিধস ও পা‑হাতের ক্ষতি ঘটছে, যা স্থানীয় জনগণের জীবিকা ও নিরাপত্তাকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলেছে। গবেষকরা এটিকে সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত করছেন; উষ্ণায়নের ফলে বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতা বেশি সঞ্চিত হয়ে হিমালয়ের শীর্ষে বিশাল পরিমাণে মেঘ গঠন করছে।

এই পরিবর্তনের পেছনে মানবসৃষ্ট গৃহ উষ্ণায়ন, বন নিধন এবং অতিরিক্ত খনন কাজের ভূমিকা আছে। পাহাড়ি এলাকার বনভূমি নিঃশেষিত হওয়ায় মাটির শোষণ ক্ষমতা কমে গিয়েছে, ফলে বৃষ্টির জল দ্রুত প্রবাহিত হয়ে নদীতে স্ফীত হয় এবং নিম্নস্থ গ্রামগুলোতে দুর্যোগের কারণ হয়। তদুপরি, হিমালয় গাছের শিকড়ের অখণ্ডতা নষ্ট হলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, যদি সময়মতো পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে আগামী দশকে হিমালয়ের চরম আবহাওয়া আরও তীব্র হবে। তারা দাবি করছেন যে, গ্রীষ্মের বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস সঠিকভাবে জানাতে আধুনিক রাডার ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করা দরকার, সঙ্গে সঙ্গে বনসংরক্ষণ ও অরণ্য পুনর্ব্যবস্থার উদ্যোগ বাড়াতে হবে।

অবশ্যই, এই দুর্যোগের মোকাবেলায় স্থানীয় সরকার, কেন্দ্রীয় সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশ সংস্থাগুলোর সমন্বিত কাজ প্রয়োজন। ত্বরিত পদক্ষেপে শীর্ষস্থানীয় গবেষণা কেন্দ্রগুলোকে তদারকি করতে হবে এবং শীর্ষস্তরে নীতি নির্ধারণে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কার্যকর পরিকল্পনা গৃহীত হওয়া উচিত। এভাবে না করলে হিমালয়ের পরিবেশগত ভারসাম্য ভেঙে, সমগ্র দেশের অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষতি স্বীকার করা যাবে না।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX