
অমরনাথ যাত্রার ঠিক আগে, সেনাবাহিনীর জালে কাঠুয়া জেলায় ধরা পড়ল জঙ্গি লতিফ
অমরনাথ যাত্রার আগে কাঠুয়া জেলায় সেনাবাহিনীর জালে ধরা পড়ে হেজি লতিফ, যিনি দেশের সীমান্তে জঙ্গি সরবরাহের পরিকল্পনা করছিলেন। নিরাপত্তা বাহিনীর তীক্ষ্ণ নজরদারি ও সমন্বিত কাজের ফলে এই বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
অমরনাথ যাত্রা আরম্ভের ঘন্টা শূন্যের দিকে এগোতে থাকা মুহূর্তেই, জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর এক বিশাল ধরা পড়ে। পুলিশ ও সেনা সংযুক্ত দল হেজি লতিফ নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে, যিনি দেশের সীমান্তে অবৈধভাবে জঙ্গি সরবরাহের পরিকল্পনা করছিলেন। তদন্তে প্রকাশ পায়, লতিফের গোপন চ্যানেল ছিল হেজি, যার মাধ্যমে তিনি উত্তরে গোপন অস্ত্র ও সামগ্রী দেশে অনুপ্রবেশ করাতে চেয়েছিলেন।
সেনাবাহিনীর সূত্রে জানানো যায়, লতিফের দল কয়েকটি গোপন বেস ব্যবহার করছিল, যেখানে তারা রেডিও ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখত। এই গোপন জালের মাধ্যমে তারা সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সরবরাহ চেইন চালু করার চেষ্টা করছিল, যা দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্ষুণ্ন করতে পারত। গ্রেফতারকৃত লতিফের হাতে পাওয়া সরঞ্জাম ও নথিপত্র থেকে স্পষ্ট হয়েছে, তার পরিকল্পনা ছিল উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে অবৈধ গতি বাড়ানো।
এই ধরা নিরাপত্তা বাহিনীর সতর্কতা ও তীক্ষ্ণ নজরদারির ফল, যা দেশের সীমানা রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কর্তৃপক্ষ বলছে, ভবিষ্যতে অন্তর্বর্তীকালীন পর্যবেক্ষণ বাড়িয়ে এই রকম গোপন জাল ধ্বংস করা হবে, যাতে দেশের শান্তি বজায় থাকে। অমরনাথ যাত্রার আলোকে এই সাফল্য জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্বলিত করে।
উল্লেখ্য, এই ধরা দেশের নিরাপত্তা সংস্থার সমন্বিত কাজের ফলাফল এবং ভবিষ্যতে সীমান্তে গোপন জাল চিহ্নিত করে ধ্বংস করার সংকল্পের স্বীকৃতি দেয়। এ ধরণের কার্যক্রমে জনগণের সহযোগিতা ও সচেতনতা অপরিহার্য, যাতে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর কোনো লুকানো পথ না থাকে।




