গুয়াহাটিতে ৫৫ কোটি টাকার ৩৭ কেজি সোনা উদ্ধার, মহারাষ্ট্রের ৩২ বছর বয়সী পাচারকারী গ্রেফতার
crime6 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

গুয়াহাটিতে ৫৫ কোটি টাকার ৩৭ কেজি সোনা উদ্ধার, মহারাষ্ট্রের ৩২ বছর বয়সী পাচারকারী গ্রেফতার

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

গুয়াহাটিতে ৫৫ কোটি টাকার ৩৭ কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে এবং মহারাষ্ট্রের ৩২ বছর বয়সী পাচারকারী অক্ষয় শর্মা গ্রেফতার হয়েছেন। পুলিশ অভিযানের মাধ্যমে সোনার নেটওয়ার্কের ভঙ্গুরতা প্রকাশ পেয়েছে।

গুয়াহাটি—বিপুল পুলিশ অভিযান শেষে শহরের এক গুদামে প্রায় ৫৫ কোটি টাকার মূল্যমানের ৩৭ কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। গৌরবপুরের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত গুদামটি তাড়া-ধাওয়ার পর অবিলম্বে লকডাউন করা হয় এবং সোনার গুদামদার গুদামপাত্রগুলো থেকে মূল্যবান ধাতু বের করে নেওয়া হয়। ঐ গুদামের ভিতরে তল্লাশি করে সোনার গ্লাস, গহনা, এবং বিশাল সোনার গড়া প্যাকেজ পাওয়া যায়। মোট সোনার ওজন ৩৭ কেজি, যা একবারে এত বড় পরিমাণে পাচার করা অস্বাভাবিক।

প্রধানতায় দায়িত্বে থাকা গৌরবপুরের ডিপি হেড শিবাংশু চৌধুরী জানান, "দলটি দীর্ঘ সময় ধরে তথ্য সংগ্রহ করে এই অপারেশন চালিয়েছে; অপরাধীর পরিকল্পনা ধরা পড়ে এবং তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।" গ্রেফতার করা ব্যক্তি হলেন ৩২ বছর বয়সী অক্ষয় শর্মা, যিনি মহারাষ্ট্রের নাগরিক। শর্মা এবং তার সহকর্মীরা সোনার চোরাচালান নেটওয়ার্কের অংশ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, যা পূর্বোত্তর গৌরবপুর, গৌরবপুর, এবং ভৌগোলিকভাবে উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন শহরে সোনার পাচার করে।

অধিকন্তু, সোনার বড়ো পরিমাণে সঞ্চয় করা হয় সাধারণত বাণিজ্যিক গৃহে নয়; তাই পুলিশ বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় গুদামের গঠন ও সোনার প্যাকেজিং পদ্ধতি বিশ্লেষণ করে। তারা জানায়, সোনার প্যাকেজগুলোকে অযথা ভাঁজ না করে, জিপিএফ ফিল্মে মোড়ানো হয়েছে, যা সনাক্ত করা কঠিন করে তুলেছিল। তবে আধুনিক সিআরএস টেকনোলজি ও ডিএনএ বিশ্লেষণ ব্যবহার করে অপরাধীর সনাক্তকরণ সম্ভব হয়েছে।

এই ঘটনাটি জাতীয় পর্যায়ে সোনার পাচার বিরোধী রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়। সোনার অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে নগদ অর্থের প্রবাহ গোপন থাকে, যা আর্থিক দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। তাই, গোয়েন্দা দপ্তর ও কাস্টমসের সঙ্গে সমন্বয়ে এধরনের অভিযান বাড়িয়ে চলা প্রয়োজন, যাতে দেশের বৈধ সোনার বাজার সুরক্ষিত থাকে।

উপসংহারে বলা যায়, গুয়াহাটিতে সোনার এই বিশাল ধন উদ্ধার ও অক্ষয় শর্মার গ্রেফতার পুলিশকে সোনার পাচার নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক হিসেবে দেখায়। ভবিষ্যতে আরও সতর্কতা, তথ্য শেয়ারিং এবং আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় নিশ্চিত করে সোনার অবৈধ প্রবাহ বন্ধ করা সম্ভব হবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX