‘নিজের পাপের সাজা পেয়েছে’, ছেলের মৃতদেহ নিতে অস্বীকার বারুইপুরে অভিযুক্তের মা
crime8 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

‘নিজের পাপের সাজা পেয়েছে’, ছেলের মৃতদেহ নিতে অস্বীকার বারুইপুরে অভিযুক্তের মা

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

বারুইপুরে ১১‑বছরের শিশুর ধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্তের মা মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করে, “নিজের পাপের সাজা পেয়েছি” বলে নিজের অপরাধ স্বীকার করে। পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারের পর দেহ হস্তান্তর নিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে রাগ ও উদ্বেগ দেখা দিচ্ছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে ১১‑বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটার পর দু’দিনের মধ্যে দু’টি অপ্রত্যাশিত মোড় দেখা গিয়েছে। রাত দশটা পারই, স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে ‘এনকাউন্টার’ে অভিযুক্ত যুবককে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। গুলিবিদ্ধ শিকারের দেহকে সনাক্ত করার পর, সন্দেহভাজন যুবকের মা, রঞ্জনা দাস, মৃতদেহটি নিতে অস্বীকার করে, যার ফলে গোয়েন্দা দলকে দেহটি হস্তান্তর করতে বাধ্য হতে হয়।

পুলিশের সূত্রে বলা যায়, রঞ্জনা দাস শিকারের দেহটি নিতে অস্বীকার করার কারণ হিসেবে “নিজের পাপের সাজা পেয়েছি” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দেহটি স্থানীয় হাসপাতালে সরবরাহ করতে না চেয়েছেন, ফলে দেহটি হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত মৃতদেহটি পুলিশের গাড়িতে রাখা হয়। এ ঘটনার পর পুলিশ বারুইপুরের সিটি সেন্টারে দেহটি হস্তান্তর করে, পরিবারকে শোকস্মরণে শোকাবহ সময় দিতে বাধ্য করে।

স্থানীয় মানুষদের মধ্যে এই ঘটনার প্রতি রাগ ও বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে। বারুইপুরের বাসিন্দারা দাবি করে যে, কোর্টে মামলাটির যথাযথ বিচার হোক, আর অভিযুক্তের মা যেন আইনের আওতায় ন্যায়বিচার পায়। পুলিশ প্রধান বলছেন, দেহের হস্তান্তরের বিষয়টি আইনের আওতায় সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন তদন্তের পরবর্তী ধাপ শুরু হয়েছে।

অভিযুক্তের মা রঞ্জনা দাসের দাবি ও তার অস্বীকারের পেছনে মানসিক চাপ ও সামাজিক অপরাধবোধের কারণ থাকতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা বিশ্লেষণ করছেন। আইনি দৃষ্টিতে, দেহ হস্তান্তরের অস্বীকার অমানবিক কাজ হিসেবে গণ্য হবে এবং তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অপরাধের অভিযোগ আনা হতে পারে।

উপসংহারে বলা যায়, বারুইপুরের এই অশান্তি অপরাধ ও ন্যায়বিচারের মেরুদণ্ডে এক নতুন চ্যালেঞ্জ উন্মোচিত করেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে শিকারের পরিবারকে যথাযথ সান্ত্বনা প্রদান করতে হবে, যাতে সমাজে ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা পুনর্স্থাপিত হয়।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX