আকাশপথে ভারতের দাপট, ১৫০ রাফালের আতঙ্কে পাকিস্তান; চাপে চিনা জে-১০সিই
international3 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

আকাশপথে ভারতের দাপট, ১৫০ রাফালের আতঙ্কে পাকিস্তান; চাপে চিনা জে-১০সিই

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

আরও ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাব্য পরিকল্পনা করছে ভারত। এই খবরের জেরে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়েছে, কারণ এতে চিনা জে-১০সিই বিমানের কার্যকারিতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।

আকাশপথে ভারতের সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র। সূত্রে খবর, আরও ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে সম্ভাব্য চুক্তির পথে হাঁটছে ভারত। এই খবর সামনে আসতেই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাফাল বিমানের কার্যকারিতা প্রমাণিত, আর তার সংখ্যাবৃদ্ধি মানেই দক্ষিণ এশিয়ার আকাশসীমায় ভারতের একাধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান দীর্ঘকাল ধরে চিনা প্রযুক্তির জে-১০সিই (J-10CE) যুদ্ধবিমানের ওপর ভরসা করে ভারতের মোকাবিলা করার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু ভারতের হাতে যদি ১৫০টির কাছাকাছি রাফাল বিমান চলে আসে, তবে চিনা বিমানের সেই দাপট কার্যত ফিকে হয়ে যাবে। রাফালের অত্যাধুনিক রাডার সিস্টেম এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে জে-১০সিই-র টিকে থাকা কঠিন হবে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি, রাফাল শুধু একটি যুদ্ধবিমান নয়, এটি একটি বহুমুখী রণকৌশলের হাতিয়ার। এর উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ক্ষমতা পাকিস্তানের বর্তমান বিমান বহরকে কার্যত অকেজো করে দিতে পারে। ফলে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাজেটে বড়সড় চাপ পড়বে এবং তারা নতুন করে অস্ত্র ಖರೀದির কথা ভাবতে বাধ্য হবে, যা তাদের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রাখলে প্রায় অসম্ভব।

অন্যদিকে, ভারত এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কেবল পাকিস্তানের মোকাবিলাই করছে না, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করছে। আধুনিক যুদ্ধবিমানের এই বিশাল বহর ভারতের আকাশসীমাকে দুর্ভেদ্য করে তুলবে। ফলে যেকোনো সম্ভাব্য সংঘাতের সময়ে ভারতের পাল্লা অনেক বেশি ভারী থাকবে।

সামগ্রিকভাবে, এই সম্ভাব্য চুক্তিটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে এক বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, রাফালের এই সংখ্যাবৃদ্ধি কেবল সামরিক ভারসাম্য নষ্ট করবে না, বরং কৌশলগতভাবে ভারতকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেবে। আকাশপথে ভারতের এই আধিপত্য আগামী কয়েক দশক ধরে المنطقةয় স্থিতিশীলতা ও শক্তির ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX