
৩২ বছরের লড়াই শেষে যমুনার জল পাবে তৃষ্ণার্ত রাজস্থান
৩২ বছর পর রাজস্থানকে যমুনার ন্যায্য জল ভাগের গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে। নতুন চুক্তি কৃষি, শিল্প ও পানীয় জলের ঘাটতি দূর করে, তবে পরিবেশগত দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
যমুনা নদীর জল ভাগের চুক্তি অনুসারে ১৯৯৪ সালে রাজস্থানের জন্য নির্ধারিত অংশ এখনো পূরণ হয়নি। ত্রিশ‑দুই বছর ধারাবাহিক প্রতিবাদ, আইনি লড়াই এবং রাজ্য‑সদস্যদের তীব্র আন্দোলনের পর শেষমেশ রাজস্থানের তৃষ্ণা মেটানোর পথে অগ্রগতি ঘটেছে। কলকাতা‑যমুনা বিভাগের মুখপাত্র আজ জানিয়েছেন, নতুন সমঝোতার আওতায় রাজস্থানকে তার ন্যায্য হক দেবে, যা কৃষি ও শিল্পের জন্য অপরিহার্য।
এই চুক্তি অনুযায়ী রাজস্থানকে বছরে প্রায় ১.৫৬ কিলোমিটার কিউবিক জল সরবরাহ করা হবে, যা তার শুষ্ক অঞ্চলে সেচ ও পানীয় জলের ঘাটতি দূর করবে। পশ্চিমবঙ্গের জল বিভাগও এই সমন্বয়কে সমর্থন করেছে, কারণ এটি দেশের সামগ্রিক জল সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টনের অংশ। সংশ্লিষ্ট কমিটি ইতিমধ্যে প্রযুক্তিগত পর্যালোচনা শেষ করে, শেয়ারিং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলছে।
রাজস্থানের রাজনৈতিক নেতারা এই অগ্রগতিকে "অবশেষে ন্যায়বিচার" বলে প্রশংসা করেছেন এবং বলেন, জল সরবরাহের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র ও রাজ্য দুজনেরই সহযোগিতা প্রয়োজন। অন্যদিকে, পরিবেশবিদরা সতর্ক করছেন যে অতিরিক্ত শোষণ নদীর পরিবেশগত ভারসাম্যকে ক্ষতি করতে পারে; তাই সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ জরুরি।
সমগ্র দেশ জুড়ে জল সংকট বেড়ে চলেছে, তাই যমুনা নদীর মতো প্রধান নদীর সুষ্ঠু শেয়ারিং ভবিষ্যতে অনুরূপ বিরোধ হ্রাসে মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রাজস্থানকে তৃষ্ণা থেকে মুক্তি পাবে, আর দেশের জল নীতি আরও শক্তিশালী হবে।




