SIR-এ ২৭ লক্ষ নাম বাদ, আইনি পথে অধীর চৌধুরী
রাজনীতি8 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

SIR-এ ২৭ লক্ষ নাম বাদ, আইনি পথে অধীর চৌধুরী

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

সিলেকশন ইনফরমেশন রেজিস্ট্রেশন (SIR) ২০২৬-তে প্রায় ২৭ লক্ষ নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে রাজ্যের রাজনৈতিক জায়গা গরম হয়েছে। অধীর চৌধুরী আইনি পথে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রাজ্যের কেন্দ্রীয় সিলেকশন ইনফরমেশন রেজিস্ট্রেশন (SIR) ২০২৬ প্রক্রিয়াকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরে তীব্র বিতর্ক গড়ে উঠেছে। মুখ্য অভিযোগের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে, এই রেজিস্ট্রেশন চলাকালে প্রায় ২৭ লক্ষ নাগরিকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এ বিষয়টি প্রথমবারের মতো জনমতকে উত্তেজিত করে তুলেছে এবং বিভিন্ন দলই একে রাজনৈতিক হেরফেরের সূচনা বলে ব্যাখ্যা করছে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে যে, নাম বাদ দেওয়ার পেছনে প্রযুক্তিগত ত্রুটি, ডাটা মিল না হওয়া এবং কিছু ক্ষেত্রে মানবিক ভুলের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিরোধী দলগুলো বলছে, এই ত্রুটিগুলোকে ব্যবহার করে সরকার নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে ভোটার তালিকা গড়ে তুলছে। রাজ্য সরকারের মুখপাত্রও ব্যাখ্যা করে বলছেন, বাদ পড়া নামগুলো পরবর্তীতে সংশোধনের সুযোগ পাবে এবং সঠিক তথ্য জমা হলে রেজিস্ট্রেশন আবার সম্পন্ন হবে।

এই বিতর্কের কেন্দ্রে আছে অধীর চৌধুরী, যিনি নিজের পরিবার ও সমর্থকদের ওপর প্রভাব পড়ার কথা উল্লেখ করে উচ্চ আদালতে মামলায় দায়ের করেছেন। চৌধুরীর দল দাবি করছে, নাম বাদ দেওয়া আইনি দৃষ্টিতে অবৈধ এবং সুষ্ঠু প্রক্রিয়ার লঙ্ঘন। আদালতে তিনি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও সংশোধনের দাবি তুলে ধরছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়।

সাময়িক আদালতের শোনানিতে, রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতির পুনঃপর্যালোচনা এবং বাদ পড়া নামগুলোর দ্রুত সংশোধনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে চৌধুরীর পক্ষে যেসব আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা রাজ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুন মোড় দিতে পারে। এই মামলার ফলাফলই হবে ভবিষ্যতে ভোটার তালিকা গঠন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার মানদণ্ড নির্ধারণের মূল চাবিকাঠি।

অধীর চৌধুরীর আইনি প্রচেষ্টার পরিপ্রেক্ষিতে, সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সিস্টেমের ত্রুটি দূর করতে হবে, নতুবা জনমতের মধ্যে অবিশ্বাস বাড়তে থাকবে। শেষ পর্যন্ত, স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করাই রাজ্যের গণতান্ত্রিক সংহতির মেরুদণ্ড গড়ে তুলবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX