
সিগারেট করের চাপ সামলাতে ITC-র নতুন কৌশল, পশ্চিমবঙ্গে ২,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ
ITC সিগারেটের বাড়তি করের প্রভাব সামলাতে প্রিমিয়াম পণ্য ও বিকল্প নিকোটিনে মনোযোগ দিয়ে নতুন কৌশল গড়ে তুলেছে। সঙ্গে সঞ্জীব পুরি পশ্চিমবঙ্গে ২,০০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়ে রাজ্যের শিল্প উন্নয়নে ত্বরান্বিতি আনবেন।
ITC আজ ঢাকা ও কলকাতা দু’শহরে একত্রে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে যে, সিগারেটে হঠাৎ বাড়তি এক্সাইস ডিউটি মোকাবিলায় কোম্পানি একটি নতুন ব্যবসায়িক কৌশল গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে, পশ্চিমবঙ্গের শিল্প উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে চেয়ারম্যান সঞ্জীব পুরি অতিরিক্ত ২,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের ঘোষণা দেন।
বাজার বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, এই অতিরিক্ত করের ফলে সিগারেটের মূল্যে প্রায় ১০-১৫ শতাংশ বাড়তি হতে পারে, যা গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতা ও বিক্রয় পরিমাণে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। করের চাপ হ্রাসে কোম্পানির নতুন কৌশলটি মূলত প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের ওপর জোর দেয়, প্যাকেজিংয়ে আধুনিকতা আনা এবং বিকল্প নিকোটিন পণ্যের দিকে দৃষ্টিপাত করে।
ITC-এর পরিকল্পনায় বিদ্যমান উৎপাদন ক্ষমতা অপ্টিমাইজ করে খরচ কমানো, একই সঙ্গে পণ্য লাইনকে বৈচিত্র্যপূর্ণ করা অন্তর্ভুক্ত। তারা ইলেকট্রনিক সিগারেট, হিটেড ট্যাবাকু ও ফ্লেভারড টোবাকো কোণায় নতুন উদ্যোগ চালু করার সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে, যাতে করের অতিরিক্ত বোঝা গ্রাহকের কাঁধে না পড়ে।
পশ্চিমবঙ্গে ২,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের মধ্যে নতুন সিগারেট উৎপাদন ইউনিট, আধুনিক প্যাকেজিং প্ল্যান্ট ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন অন্তর্ভুক্ত। এই প্রকল্পগুলো প্রায় ৪,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং রাজ্যের শিল্প রপ্তানি ক্ষমতা বাড়িয়ে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে বলে প্রত্যাশা।
সারসংক্ষেপে, ITC-র কৌশলগত পদক্ষেপ ও উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের শিল্প উন্নয়নকে নতুন মাত্রা দেবে, করের অতিরিক্ত চাপকে শমনে সহায়তা করবে এবং উপভোক্তাদের জন্য বিকল্প পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়িয়ে দেবে।




