কালীঘাটের পুরোনো ঘরে আজ দু’ঘণ্টা আগে সিএইডি কর্মকর্তারা গিয়ে আবারও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নোটিস তুলে দিলেন; বিধানসভা নির্বাচনে সই জাল কাণ্ডের তদন্তে আরেকটি ধাপ এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিলো।
অভিষেক, যিনি তৃণমূলের নিকটবর্তী নেতা, গত মাসে একই অভিযোগে প্রথম নোটিস পেয়েছিলেন, তবে তিনি তা অগ্রাহ্য করে আদালতে চ্যালেঞ্জ করেন। সিএইডি সূত্র অনুযায়ী, পুনরায় নোটিস দেওয়ার কারণ হল নতুন প্রমাণের উপস্থিতি, যা পূর্বের হেফাজতে রইত বিষয়কে পুনরায় উন্মোচন করতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নতুন নোটিসের ফলে মঙ্গল (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হবে এমন সংসদীয় সেশন অথবা বেলাভূমি নির্বাচনের পূর্বে অমঙ্গলের সম্ভাবনা বাড়বে। কারণ, যদি অভিষেকের বিরুদ্ধে প্রমাণ দৃঢ় হয়, তবে তৃণমূলের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা নির্বাচনী সমাবেশে প্রভাব ফেলবে।
কালীঘাটের বাড়ির আশেপাশে সিএইডি দলকে দেখে প্রতিবেশীরা অবাক হয়েছেন, কেউ কেউ ফোনে চিৎকার করে জানিয়েছেন যে বাড়ির দরজা বন্ধ করেও কর্মকর্তারা প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করলে, স্থানীয় প্রশাসনও চাপের মুখে পড়তে পারে।
অধিকাংশ সূত্রে এখনো স্পষ্ট নয় যে নোটিসের সঙ্গে কোনো জব্দকৃত নথি বা গোপন রেকর্ড সংযুক্ত হয়েছে কিনা, তবে একমত যে এই ঘটনা রাজনৈতিক মঞ্চে নতুন উত্তেজনা যোগ করেছে। শেষ পর্যন্ত, বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিকই অনুমানেই রয়ে যাবে, এবং নাগরিকদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবি তীব্র হবে।
