হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (এইচএএল) সময়মতো ভারতীয় বিমানবাহিনীর তেজস এমকে১এ যুদ্ধবিমান সরবরাহে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কঠোর পদক্ষেপের পথে। এই বিলম্বের ফলে প্রশিক্ষণ শেডিউল ও অপারেশনাল প্রস্তুতি দু’ইই ঝুঁকির মুখে পড়েছে, যা নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নকারীদের উদ্বেগের কারণ।
প্রতিবেদন অনুযায়ি, তেজস এমকে১এর ডেলিভারি পরিকল্পনা ২০২৪ সালের মাঝামাঝি শেষ হতে নির্ধারিত ছিল, অথচ এইচএএল এখনো প্রোটোটাইপ পর্যায়ে আটকে রয়েছে। বিমানবাহিনীর আধুনিকীকরণ পরিকল্পনায় এই জেটের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, তাই মন্ত্রকের অফিসাররা দ্রুত সমাধান চাওয়ার সংকেত দিয়েছেন। কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, এই ধীরগতি হ্যান্ডেল করা যাবে না, কারণ আন্তর্জাতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেড়েছে।
প্রতি‑বছর নতুন যুদ্ধবিমানের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তেজসের বিকল্প বা অতিরিক্ত উৎপাদন লাইনের ব্যবস্থা নিতে পারে। বিকল্প হিসেবে, ভারতীয় বিমান সংস্থা (ডিআই) ও বিদেশি সরবরাহকারী সঙ্গে আলোচনার দ্বারাও গতি বাড়ানোর চেষ্টা করা হতে পারে। তবে হালনাগাদ নীতি পরিবর্তন না হলে, এই ধরণের বিলম্ব ভবিষ্যতে পুনরাবৃত্তি হতে পারে।
মন্ত্রকীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, ত্বরিত তদন্তের পর জরুরি নির্দেশনা জারি করা হবে, যা এইচএএলকে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা, উৎপাদন বাড়ানো বা চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করবে। শেষ পর্যন্ত, লক্ষ্য হবে তেজস এমকে১এর পূর্ণ ক্ষমতায় ডেলিভারি নিশ্চিত করা, যাতে বিমানবাহিনীর আকাশ রক্ষা করার ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
সংক্ষেপে, তেজস এমকে১এ সরবরাহে বিলম্ব শীঘ্রই বড় ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং নীতি পরিবর্তনের সূচনা করবে, যা ভারতীয় রক্ষার শক্তি পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
