কলকাতা পুরসভার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনকে রবিবার সকালের শীতল সময়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। জানুয়ারি ৭ তারিখে, জসিমউদ্দিনের জোড়াসাঁকো এলাকায় অবস্থিত বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়, যেখানে তিনি নাবালিকাকে মারধর ও কটূক্তি করার অভিযোগে আটক হয়েছেন। পুলিশের মতে, ওই ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন এক নাবালিকা তার গৃহকাজে অতিরিক্ত কাজের চাপ নিয়ে কাউন্সিলরের বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং কথোপকথনে অশ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।
তদন্তে জানা যায়, গৃহকর্মীকে শারীরিকভাবে আঘাত করার পাশাপাশি কাউন্সিলর তার প্রতি অশ্লীল মন্তব্য করেন, যা নাবালিকাকে মানসিক ও শারীরিক ক্ষতি পৌঁছে দেয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত গৃহকর্মীর সহকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানায়, ফলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
পুলিশের প্রকাশ্য বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জসিমউদ্দিনের বিরুদ্ধে নাবালিকার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে অপরাধমূলক রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে রৌদ্রবন্দি জেলায় আটক আছেন। আইন রক্ষায় দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে, তবে স্থানীয় রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া ইতিমধ্যেই গরম।
এই গ্রেফতারের ফলে তৃণমূল দল ও বিরোধী দল উভয়েরই নীতি-পর্যালোচনা চালু হয়েছে। তৃণমূল দল নেতারা জসিমউদ্দিনের কাজকে “অবৈধ ও অনৈতিক” বলে নিন্দা করেন এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্বতন্ত্র তদন্তের দাবি করেন। অন্যদিকে, বিরোধী দল এই ঘটনাকে “শক্তিশালী রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ছাপ” বলে অভিযুক্ত করে।
উপসংহারে বলা যায়, নাবালিকার উপর হিংসা এবং কটূক্তির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া জসিমউদ্দিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে প্রভাবিত করবে, এবং আদালতে ন্যায়বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়টি জনমতের দৃষ্টিতে ঝুঁকিপূর্ণ থাকবে।
