ডায়মন্ড হারবারে অভিষেকের এফসি (ফেডারেল কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া) চুক্তি নিয়ে উত্থাপিত বিতর্কে এখন নতুন মোড় এসেছে। হাইড্রাফিক্স মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থার এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কল্যাণ চৌবে, আজ মিডিয়ায় জানান দেন যে গৃহীত দস্তাবেজগুলোতে কিছু অস্বাভাবিক লেনদেনের চিহ্ন রয়েছে এবং তা নিয়ে একটি প্রাথমিক তদন্তের সূচনা করা হবে। চৌবে বলেন, “প্রশ্নবিদ্ধ ডকুমেন্টগুলোতে অযথা উচ্চমাত্রার র্যাবডিসি (Rabdis) রেট ও অপ্রয়োজনীয় সাপ্লাই শর্ত দেখার পর আমরা স্বল্পমেয়াদে একটি গৃহীয় কৌন্সিল তৈরি করেছি।”
অভিষেকের দলের পক্ষ থেকে এই মন্তব্যের পর তৎক্ষণাৎ এক প্রতিবাদসূচক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়, যেখানে তারা বলেন যে এফসি চুক্তি স্বচ্ছ ও সঠিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়েছে। তবু, চৌবে উল্টো করে বললেন, “যদি কোনো অমিল থাকে, তা দ্রুতই উন্মোচিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে যথাযথ শাস্তি দেওয়া হবে।” তার এই মন্তব্যের ফলে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তেজনা পূর্ণ হয়ে ওঠে, বিশেষত বিরোধী দলগুলো এফসির ওপর কঠোর প্রশ্ন তুলছে।
ডায়মন্ড হারবারে অবস্থিত এই এফসি ইউনিটটি পূর্বে রেলওয়ে ও শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, তাই এ ধরনের বিতর্কের ফলে কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনীতির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন যে, যদি তদন্তে সত্যি কোনো অযথা লেনদেন প্রকাশ পায়, তবে তা শিল্পের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা বাড়াতে একটি জরুরি পদক্ষেপ হতে পারে।
অবশেষে, কল্যাণ চৌবে নিশ্চিত করেছেন যে তদন্তের ফলাফল পাবলিকভাবে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এভাবে, ডায়মন্ড হারবারের এফসি বিতর্কে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে, যা রাজ্য ও কেন্দ্র উভয়ের পর্যবেক্ষণে থাকবে।
