দুই‑তিন দিন আগে দিল্লিতে শাসন‑পরিবর্তন গঠনের পর, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বানার্জি এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, “দুর্নীতিতে চাবুক চালানো শুরু বিজয়ের, আর ‘পার্টি ফান্ড’ সিস্টেম আর চলবে না।” তিনি বলছেন, এই ব্যবস্থা গৃহীত হলে স্বচ্ছতা ও জনসেবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই তা অবিলম্বে বাতিল করা হবে।
মন্ত্রীর উপস্থিতিতে উন্মোচিত পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, পার্টি ফান্ডের সব আর্থিক লেনদেন স্বতন্ত্র তহবিল সংস্থার মাধ্যমে হস্তান্তর হবে, এবং তা তহবিল আইন অনুসারে পাবলিক রেকর্ডে প্রকাশ্য থাকবে। তদুপরি, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত যেকোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে কঠোর শাস্তি দেবার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
বিএমডি-র কৌশলগত মন্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, “যদি কোনো দল দুর্নীতিকে হাতিয়ার বানিয়ে চাবুক চালায়, তা আমাদের সমগ্র রাজ্যের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। তাই দায়িত্বশীল শাসক হিসেবে আমরা এই ধরণের প্রথা বন্ধ করে দিচ্ছি।” এই কথা শোনার পর, রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন স্তরে বিরোধী দলগুলো গরমে গরম মন্তব্য করতে শুরু করেছে।
মমতা বানার্জি শেষ করে বলেন, “বিকাশের পথে যদি কোনো বাধা আসে, তা আমরা সরিয়ে দেব, আর স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও জনগণের অধিকারই আমাদের অগ্রাধিকার।” এভাবে তিনি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশকে পরিষ্কার করতে এবং দুর্নীতির চাবুককে নীরব করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা প্রকাশ করেছেন।
