রাজ্যের মাদ্রাসাগুলির funcionamiento এবং পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে বড়সড় সমীক্ষার নির্দেশ দিল রাজ্য প্রশাসন। মাদ্রাসাগুলি সরকারি নিয়ম মেনে চলছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। জেলাশাসকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, প্রতিটি মাদ্রাসার অবস্থান, তৈরির তারিখ এবং নথিভুক্তিকরণের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। বিশেষ করে, মাদ্রাসাগুলি কোথায় এবং কীভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছে, সেই সংক্রান্ত সমস্ত প্রমাণপত্র খতিয়ে দেখা হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ৫ জুলাইয়ের মধ্যে এই সমীক্ষার সম্পূর্ণ রিপোর্ট জমা দিতে হবে জেলাশাসকদের। এই প্রক্রিয়ায় মূলত মাদ্রাসার বৈধতা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা যাচাই করা হবে। দীর্ঘ সময় ধরে অনেক মাদ্রাসা যথাযথ নথি ছাড়াই চলে আসছিল বলে অভিযোগ। এবার সেই সমস্ত ফাঁকফোকর বন্ধ করতে এবং নিয়মবহির্ভূত কার্যকলাপ রুখতেই এই বিশেষ তল্লাশি ও সমীক্ষা চালানো হচ্ছে।
সূত্রের খবর, এই সমীক্ষায় যদি কোনো মাদ্রাসার ক্ষেত্রে আইনবিরুদ্ধ কাজের প্রমাণ মেলে, তবে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না। অবৈধভাবে চলা মাদ্রাসা বা নিয়ম বহির্ভূতভাবে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। শিক্ষা দপ্তরের নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমীক্ষার ফলে রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় এক বড়সড় সংস্কার আসতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সঠিক নথির অভাবে অনেক প্রতিষ্ঠান সরকারি সুবিধা পেলেও তার যথাযথ হিসাব রাখা হয়নি। এবার প্রতিটি মাদ্রাসার ডিজিটাল রেকর্ড এবং ভৌত পরিকাঠামোর মেলবন্ধন যাচাই করা হবে, যাতে শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
সামগ্রিকভাবে, এই পদক্ষেপকে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখা হচ্ছে। নিয়ম মেনে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য এতে কোনো সমস্যা নেই, তবে যারা আইনের তোয়াক্কা না করে কাজ করছেন, তাদের জন্য বিপদ আসন্ন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জেলা স্তরে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সামনে আসবে প্রকৃত চিত্র, যা রাজ্যের শিক্ষা প্রশাসনে নতুন দিকনির্দেশনা দিতে পারে।
