সংবিধান হাতে নিয়ে শিবকুমার গিলি কর্নাটকের নতুন মুখ্যমন্ত্রী, শপথ অনুষ্ঠানে রাজ্যের উচ্চপদস্থ নায়কদের উপস্থিতি লক্ষণীয়। গৃহস্থালি মঞ্চে গৃহপ্রধানের সাইন করা সংবিধানটি অঙ্গনে উঁচু করে তুলে শিবকুমার গর্বের সঙ্গে শপথ নিলেন, যা রাজ্যের রাজনৈতিক শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। শপথের পরই তিনি তৎক্ষণাৎ তার মন্ত্রিপরিষদ গঠন করলেন, যাতে সিদ্দারামাইয়ার ছেলে, রাহুল সিদ্দারামা, পরিবেশ ও জল সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিযুক্ত হলেন।
সিদ্দারামা, পূর্বে রাজ্যের পরিবেশ নীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, তার এই নিযুক্তি রাজ্যের সবুজ অভিযানকে ত্বরান্বিত করবে বলে বিশ্লেষকরা আশা প্রকাশ করেছেন। এই পদবিন্যাসে রাজ্যের কৃষি ও শিল্প খাতের বিকাশে সমন্বিত নীতি প্রণয়নের সম্ভাবনা রয়েছে, যা কর্নাটকের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। শিবকুমারের শাসনকালেও দলীয় সংহতি বজায় রেখে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জনসেবার মানোন্নয়নে মনোযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।
রাজ্যসভার নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠনের সঙ্গে সঙ্গে শিবকুমার গিলি বলেছিলেন, “সংবিধান আমাদের দায়িত্বের শিলালিপি, এবং আমি তা পালন করে রাজ্যের উন্নয়নে অগ্রসর হব।” তাঁর কথা শোনার পর রাজ্যের বিভিন্ন সমাজের প্রতিনিধিরা উল্লাসে মাতিয়ে তুললেন, যা সরকারের নীতি-নির্ধারণে জনমতকে গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
অবশেষে, শিবকুমারের শপথ এবং সিদ্দারামা-সহ মন্ত্রিপরিষদের গঠন কর্নাটকের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন স্বচ্ছতা ও কার্যকরী শাসনের সম্ভাবনা তৈরি করবে। ভবিষ্যতে তাদের কাজের ফলাফল কীভাবে রাজ্যের উন্নয়ন সূচকে প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই প্রকাশ করবে।
